Home / খবর / জেলায় জেলায় / মকর সংক্রান্তিতে তিস্তাপারে ঘুড়ির লড়াই, মোবাইল ছেড়ে আকাশমুখী কিশোররা

মকর সংক্রান্তিতে তিস্তাপারে ঘুড়ির লড়াই, মোবাইল ছেড়ে আকাশমুখী কিশোররা

অভিষেক সেনগুপ্ত, জলপাইগুড়ি: মকর সংক্রান্তির বিকেলে অন্য চিত্র শহরের তিস্তাপারে। বিকেল হতে না হতেই শহরের বিভিন্ন এলাকা থেকে চলে এলো কিশোরেরা। এ পর্যন্ত চেনা চিত্র। কিছু পরেই বদলে গেল দৃশ্যপট। চলে এলেন ‘কাইট ফ্লাইং অ্যাসোসিয়েশনের’ সদস্য। কিশোরদের হাতে তারা তুলে দিলেন নানা রঙের ঘুড়ি, লাটাই। পৌষের শেষ বিকেলের মিঠে রোদে তিস্তার মাঝ আকাশে চলল ঘুড়ির লড়াই।

মাঠের সংখ্যা কমছে শহরে। পাল্লা দিয়ে কমছে কিশোর-যুবদের একাংশের মাঠে যাওয়ার আগ্রহও। যুগের হাওয়ায় হারাচ্ছে আগেকার দিনের নানা খেলা। সে জায়গায় চলে এসেছে মোবাইলের অনলাইন গেম। শিশু কিশোরদের মাঠমুখী করতে ও হারিয়ে যেতে বসা পুরান ঐতিহ্য গুলিকে ফিরিয়ে আনতেই এই উদ্যোগ বলে জানান আয়োজকেরা।

আয়োজক সংগঠনের তরফে দীপাঞ্জন বক্সি বলেন, “স্বাধীনতা দিবস, প্রজাতন্ত্র দিবস, সরস্বতী পুজোর সময়েও আমরা ঘুড়ির লড়াইয়ের আয়োজন করি। এই কর্মসূচি ৪-৫ বছর ধরে চলছে। তবে চাইনিজ মাঞ্জা ব্যবহার করা হয় না।”

এ দিন বাবা মায়ের সঙ্গে তিস্তাপারে ঘুরতে এসে ঘুড়ি নিয়ে ছোটাছুটি করতে দেখা গেল অনেক শিশুকেই। আয়োজক সংগঠনের এক প্রবীণ সদস্য আনন্দ কেজরিওয়ালকেও দেখা গেল উৎসাহের সঙ্গে নিজে ঘুড়ি ওড়াচ্ছেন। তিনি বলেন, “নিজের ঘুড়িকে আকাশে উঁচু, আরও উঁচুতে উড়তে দেখলে শরীর, মন সব সতেজ হয়ে যায়।”

নবম ও দশম শ্রেণির জয়দীপ কর, ষষ্ঠী মাহাতো, তমোজিৎ দাস-দের দেখা গেল ঘুড়ির লড়াইয়ে অংশ নিতে। তারা জানায়, ঘুড়ির ওড়ানোর অভ্যাস হয়ে যাওয়ার পরে অনেকটা কম সময়ই তারা মোবাইলের পেছনে ব্যয় করে।

alternatetext
Tagged:

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *