Home / খবর / জেলায় জেলায় / জলপাইগুড়ির মেয়ে খালেদা জিয়া, জন্মভূমিতে স্মৃতির আবেশ, শোকের ছায়া শহরে

জলপাইগুড়ির মেয়ে খালেদা জিয়া, জন্মভূমিতে স্মৃতির আবেশ, শোকের ছায়া শহরে

অভিষেক সেনগুপ্ত, জলপাইগুড়ি: সদ্য প্রয়াত হলেন বাংলাদেশের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া। তার জন্মের সঙ্গে জড়িয়ে রয়েছে এই শহর। যা বর্তমান প্রজন্মের অনেকেই জানেন না। শহরের দুই স্কুলে পড়াশোনার প্রাথমিক পাঠও নিয়েছিলেন কিছু সময়। এই শহরে এখনও রয়েছেন তার পরিজনেরা। খালেদা জিয়ার আকস্মিক প্রয়াণে স্বভাবতই মনখারাপ অনেকের।

ভোলা মণ্ডল, ডিএসএ সচিব, প্রতিবেশী

শহরের নয়াবস্তি পাড়া এলাকায় বাস ছিল খালেদা জিয়ার পরিবারের। তার বাবা মহম্মদ ইস্কান্দার কাজ করতেন শহরের ব্যাঙ্কিং ও শেয়ার কেনাবেচার এক কোম্পানি ‘দাশ অ্যান্ড কোম্পানিতে’। খালেদার জন্ম এই শহরেই। তিনি প্রথমে যোগমায়া প্রাথমিক স্কুল ও পরে সদর প্রাথমিক বালিকা বিদ্যালয়ে পড়াশোনা করেছেন বলে জানিয়েছেন প্রবীণ ও গবেষকদের একাংশ। দেশভাগের পরেও দীর্ঘ সময় তারা জলপাইগুড়ি ছিলেন। পরে, অধিকাংশ আত্মীয়স্বজন তদানীন্তন ‘পূর্ব-পাকিস্তানে’ চলে যাওয়ায়, পরবর্তীতে অমরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তীর পরিবারের সঙ্গে সম্পত্তি বিনিময় করে পড়শি দেশে চলে যান ইস্কান্দার। নিজে আর কখনও এই শহরে আসেননি খালেদা। তবে, এখানে থাকা পরিজনদের সঙ্গে যোগাযোগ রয়েছেন। পরিজনরাও ওপার বাংলায় যান। মঙ্গলবার সকালে খালেদা জিয়ার মৃত্যু সংবাদ চাউর হতেই শহরের একাংশে শোকের ছায়া। খালেদার পুরানো স্কুল সদর প্রাথমিক বালিকা বিদ্যালয়ের বর্তমান কর্তৃপক্ষও তার স্মরণে অনুষ্ঠানের ভাবনাচিন্তা করছেন।

নীলাঞ্জন দাশগুপ্ত, দাশ অ্যান্ড কোম্পানির পরিবারের সদস্য

কালের স্রোতে হারিয়ে যাওয়া দাশ অ্যান্ড কোম্পানির মালিকপক্ষের পরিবারের সদস্য নীলাঞ্জন দাশগুপ্ত বলেন, “সে সময় আমাদের কোম্পানির কাজ নীলফামারি, ডিমলা, কুড়িগ্রাম থেকে ভাগলপুর পর্যন্ত বিস্তৃত ছিল। এই কোম্পানিতেই খালেদার বাবা মহম্মদ ইস্কান্দার কাজ করতেন। খালেদার মৃত্যু সংবাদ পেয়ে খারাপই লাগছে।”

ডিএসএ-র সচিব তথা প্রতিবেশী ভোলা মণ্ডল বলেন, “আমার জন্মের আগের কথা। বাবা,মায়ের মুখ থেকে শুনেছি ওদের কথা। এখনও ওদের পরিজনদের অনেকেই মাঝেমধ্যে এই বাড়ি দেখতে আসেন।”

অরূপ দে, প্রধান শিক্ষক, সদর প্রাথমিক বালিকা বিদ্যালয়

সদর প্রাথমিক বালিকা বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক অরূপ দে বলেন, “তিনি রাষ্ট্রপ্রধান ছিলেন। যে কোনও মৃত্যুই বেদনাদায়ক। অভিভাবক-সহ সংশ্লিষ্ট সব মহলের সঙ্গে কথা বলে ওঁর স্মরণে কিছু করা যায় কি না দেখছি।”

alternatetext
Tagged:

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *