Home / খবর / জেলায় জেলায় / অবশেষে হাল ফিরছে জলপাইগুড়ির মাষকলাইবাড়ি হিন্দু মহাশ্মশান ঘাটের, পরিকাঠামোগত উন্নয়ন ও সৌন্দর্যায়নে বরাদ্দ ৪ কোটি

অবশেষে হাল ফিরছে জলপাইগুড়ির মাষকলাইবাড়ি হিন্দু মহাশ্মশান ঘাটের, পরিকাঠামোগত উন্নয়ন ও সৌন্দর্যায়নে বরাদ্দ ৪ কোটি

অভিষেক সেনগুপ্ত, জলপাইগুড়ি: অবশেষে হাল ফিরতে চলেছে শহরের মাষকলাইবাড়ি হিন্দু মহাশ্মশান ঘাটের। এখানের অব্যবস্থা নিয়ে দীর্ঘদিন ধরেই সরব ছিলেন স্থানীয় ও শ্মশানযাত্রীরা। এ বারে শ্মশানের পরিকাঠামোগত উন্নয়ন ও সৌন্দর্যায়নে পদক্ষেপ করতে চলেছে জলপাইগুড়ি পুরসভা।

দীর্ঘ সময় ধরেই শ্মশানের পুকুরটির বেহাল দশা। কয়েক বছর আগে ঘটা করে যাত্রীদের বসার জন্য নতুন শেড গড়া হলেও, দুষ্কৃতীদের দৌরাত্ম্যে একাংশের বেহাল দশা। এ দিকে শ্মশানে দুটি ইলেকট্রিক চুল্লি থাকলেও, তা একসঙ্গে চালান যায় না বলে অভিযোগ শ্মশানে মরদেহ নিয়ে আসা মানুষজনের। ফলে একই সময়ে একাধিক মৃতদেহ এলে দীর্ঘ লাইনে জেরবার হতোন সকলে। এ দিকে শ্মশানের একাংশে আগাছার জঙ্গলে পরিপূর্ণ। পুরসভার তরফে, এর আগে মৃতদেহের সঙ্গে থাকা কাপড়-সহ অন্য সামগ্রী নির্দিষ্ট স্থানে ফেলার কথা বলা হলেও অনেকেই তা শুনতেন না বলেও অভিযোগ। ফলে দৃশ্যদূষণের শিকার হতেন অন্য শ্মশানযাত্রীরা। শ্মশানে থাকা মায়ের মন্দিরে অনেকেই পুজো দিতে আসেন। বিপাকে পড়েন তারাও।

শহরের প্রবীণ বাসিন্দা সুব্রত সরকার বলেন, “এই শ্মশানের ওপর পুর এলাকার ২৫টি ওয়ার্ডের মানুষের পাশাপাশি আশেপাশের অনেক এলাকার মানুষ নির্ভরশীল। পুরসভা যদি এই শ্মশান সংস্কারে গুরুত্ব দেয়, তাহলে তো ভালোই হয়।”

দায়িত্ব পাওয়ার পরেই এ বিষয়ে তিনি নিজে থেকেই উদ্যোগী হয়েছেন বলে দাবি পুরপ্রধান সৈকত চট্টোপাধ্যায়ের। ওই মহাশ্মশানের পুরানো ঐতিহ্য বজায় রেখেই কাজ হবে বলে দাবি পুর কর্তৃপক্ষের। শ্মশান চত্বরে লাগানো হবে ফলের গাছও। পাখির ডাক আর নির্মল প্রকৃতির মাঝে প্রিয়জনকে শেষ বিদায় জানাতে পারবেন আত্মীয় পরিজনেরা। পুর প্রধান বলেন, “৪ কোটি টাকা বরাদ্দ হয়েছে। কেএমডিএ থেকে ভেটিং করানো হয়েছে। দুটি চুল্লিই যাতে একসঙ্গে চালানো যায়, সে ব্যবস্থা করা হচ্ছে। এর পাশাপাশি পুকুর সংস্কার-সহ সৌন্দর্যায়নেরও কাজ করা হবে।”

সৈকত চট্টোপাধ্যায়, পুর প্রধান, জলপাইগুড়ি পুরসভা

সৈকতের সংযোজন, শোকের আবহে স্বজন-পরিচিতের মরদেহ নিয়ে আসেন শ্মশানযাত্রীরা। তাঁদের কিছুটা মানসিক শান্তি দিতেই এই উদ্যোগ পুর কর্তৃপক্ষের।

alternatetext
Tagged:

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *