জলপাইগুড়ি: রাতে ঘরে নাকি অশরীরীর উৎপাত। শহরের ১৮ নম্বর ওয়ার্ডের এক পরিবারের অদৃশ্য ভূতের বিরুদ্ধে এই অভিযোগ ঘিরে জোর চাঞ্চল্য এলাকায়। খবর পেয়ে সরোজমিনে খতিয়ে দেখতে ছুটে এলেন কাউন্সিলার। তার উদ্যোগে খবর দেওয়া হল সায়েন্স অ্যান্ড নেচার ক্লাবকে। ঘরে ‘ভূতের নৃত্যে’ রীতিমতো আতঙ্কিত নিউ সার্কুলার রোডের দে পরিবার।
রবিবার মাঝরাতে বাড়িতে পড়ল ঢিল। হঠাৎই নাকি কারও কান্নার আওয়াজ। আচমকা মেঝেতে উল্টে গেল আলমারি-সহ একাধিক আসবাবপত্র। গ্যাসের সিলিন্ডার নিয়ে নাকি কেউ টানাহ্যাঁচড়া করছে। হঠাৎ পোড়া গন্ধ পেয়ে সবাই দেখেন বিছানার চাদর ও কম্বলে আগুন জ্বলছে। তবে, যে এই কাণ্ড ঘটাচ্ছে তাকে চোখে দেখা যাচ্ছে না। এমনটাই অভিযোগ দে-পরিবারের সদস্যদের।
পরিবারের এক সদস্য স্বপন দে বলেন, “মা জপ করছিলেন তার ঘরে হঠাৎ আসবাবপত্র পড়ে যায়। তারপর একের পর এক নানা ঘটনা ঘটতে থাকে। কাউকে দেখতে পারিনি। আমরা ভয়ে রয়েছি।”
সোমবার সকালে ওই ঘটনার কথা জানতে পেরে দে বাড়ির সামনে ভীড় করেন স্থানীয়রা। খবর পেয়ে ছুটে আসেন ওই ওয়ার্ডের কাউন্সিলর উত্তম বসু। তিনি বলেন, “বিজ্ঞানের ভূতের অস্তিত্ব কোথায়? আমি ব্যক্তিগত ভাবে ওসবে বিশ্বাস করি না। ওদের মন থেকে আতঙ্ক কাটাতে হবে৷ কি ঘটনা ঘটেছে তা দেখার জন্য সায়েন্স অ্যান্ড নেচার ক্লাবকে খবর দিয়েছি।”

উত্তম বসু ( বাঁ দিকে), স্বপন দে
ওই সংস্থার সম্পাদক ড. রাজা রাউত বলেন, “আমাদের সংগঠনের একটি দল ওই বাড়িতে গিয়ে সদস্যদের সঙ্গে কথা বলে বিষয়টি জানার চেষ্টা করবেন। অপ্রাকৃত ঘটনা বলে কিছু হয় না। বিজ্ঞানসম্মত দৃষ্টিভঙ্গী নিয়ে সব কিছু বিচার করতে হবে।”










