Home / খবর / জেলায় জেলায় / জলপাইগুড়ির করলা নদী খননে উদ্যোগ, ১৫ কিলোমিটার জুড়ে পলি অপসারণে বাড়বে নাব্যতা ও কমবে জলাবদ্ধতা

জলপাইগুড়ির করলা নদী খননে উদ্যোগ, ১৫ কিলোমিটার জুড়ে পলি অপসারণে বাড়বে নাব্যতা ও কমবে জলাবদ্ধতা

ছবি: বুবাই শীল

অভিষেক সেনগুপ্ত, জলপাইগুড়ি: প্রাণ ফিরে পাবে জলপাইগুড়ির ‘টেমস’। কমবে শহরে জলবদ্ধতার সমস্যাও। এ বারে করলা নদী খননে পদক্ষেপ প্রশাসনের। উৎসাহী সংস্থাকে আহ্বান জানাল সেচ দপ্তর। জলপাইগুড়ি শহরের গা ছুয়ে বয়ে চলা নদীর ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ সংলগ্ন এলাকা থেকে তিস্তা করলা মোহনা পর্যন্ত প্রায় ১৫ কিলোমিটার এলাকা জুড়ে খনন কাজ চলবে। নদীর বুক থেকে তুলে ফেলা হবে ৩৬ লক্ষ সিএফটি পলি ও বালি। বাড়ানো হবে দুই মিটার গভীরতাও। এতে নদীর জলবহন ক্ষমতা বাড়ার পাশাপাশি দুষনের মাত্রা কমবে বলে মনে করছে সেচ দপ্তর।

বৈকুন্ঠপুর জঙ্গল থেকে বেরিয়ে জলপাইগুড়ি শহর ঘুরে তিস্তা নদীতে গিয়ে মিশেছে করলা নদী।জলপাইগুড়ি শহরের টেমস নামেও পরিচিত এই নদীর বর্তমানে নাভিশ্বাস অবস্থা। শহরের আবর্জনা এনে নদীতে ফেলায় জায়গায় জায়গায় গভীরতা হারিয়েছে নদী। কমেছে জল বহন ক্ষমতা। এরই মধ্যে গত ৮ ফেব্রুয়ারি বিষক্রিয়ায় মাছের মৃত্যু আরও বেশি দুষিত করে নদীর পরিবেশ।নএই অবস্থায় করলা নদী কে পূর্বের অবস্থায় ফেরাতেই খননের পরিকল্পনা। বর্ষার আগেই যাতে কাজ শুরু করা যায় সেই চেষ্টা চালাচ্ছে সেচ দফতর। সংস্কারের অভাবে মজে যাওয়া করলা নদীকে নিয়ে সেচ দফতরের এই পদক্ষেপে খুশি পরিবেশ কর্মী থেকে জলপাইগুড়ি শহরের বাসিন্দারা।

পরিবেশকর্মী অনুপ কর বলেন, “আমরা বহুদিন ধরেই করলা সংস্কারের কথা বলে এসেছি। এখন কাজ শুরু হতে চলেছে বলে শুনলাম। নদীতে থাকা মৎস-সহ প্রাণীকূল আমরা স্বাগত জানাই।”

কৃষ্ণেন্দু ভৌমিক, নির্বাহী বাস্তুকার, সেচ দফতর

সেচ দফতরের নির্বাহী বাস্তুকার কৃষ্ণেন্দু ভৌমিক জানান, বর্ষার আগেই যাতে কাজ করা যায় সে বিষয়ে চেষ্টা করছেন তারা। মোট ১৫ কিলোমিটার নদীপথে খনন কাজ চলবে।

সৈকত চট্টোপাধ্যায়, পুর প্রধান, জলপাইগুড়ি পুরসভা

পুরসভার চেয়ারম্যান সৈকত চট্টোপাধ্যায় বলেন, “মুখ্যমন্ত্রীকে আন্তরিক ধন্যবাদ। করলার নাব্যতা বাড়লে শহরে বর্ষায় জলমগ্নতার সমস্যা একেবারে কমে যাবে। পুরসভার তরফে নিকাশি ব্যবস্থার আমূল সংস্কার শুরু হওয়ায় গত বর্ষায় জলবদ্ধতার সমস্যা অনেকটাই কম হয়েছে।” পুর প্রধানের অভিযোগ, কেন্দ্রের প্রতিটি নদী পরিকল্পনা ব্যর্থ্যতায় পর্যবসিত হয়েছে। তিস্তাতেও খনন প্রয়োজন।

alternatetext
Tagged:

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *