ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধন (এসআইআর) শুরুর পর থেকেই হাকিমপুর সীমান্ত দিয়ে বাংলাদেশে ফিরতে শুরু করেছেন বহু মানুষ। গত দু’মাস ধরে চলা এই ফিরে যাওয়ার প্রবণতা গত আড়াই সপ্তাহে আরও বাড়তে থাকে। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, এই সময়ে প্রায় দু’হাজার জন বাংলাদেশি সীমান্ত পার হয়েছেন। বৃহস্পতিবার সকালেও প্রায় ২০০ জন সীমান্তের দরজা খোলার অপেক্ষায় ছিলেন। এ দিন সকালেই হাকিমপুর এলাকায় পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে।
স্থানীয়েরা জানান, নির্দিষ্ট নিয়ম মেনে এবং শান্তিপূর্ণ ভাবে অনুপ্রবেশকারীদের বাংলাদেশে পাঠানোর কাজ চলছিল। কিন্তু কয়েকটি সংবাদমাধ্যমের রিপোর্টে পরিস্থিতি উত্তেজনাময় হয়ে ওঠে। অভিযোগ, এক সংবাদমাধ্যম ‘রোহিঙ্গা দেশ ছাড়ো’ লেখা প্ল্যাকার্ড-সহ একটি বিক্ষোভ দেখিয়ে ভুল বার্তা দেওয়ার চেষ্টা চালায়। স্থানীয়দের দাবি, ওই বিক্ষোভ সাজানো এবং এলাকায় কোনও রোহিঙ্গার উপস্থিতিই নেই। বিশ্ব হিন্দু পরিষদের স্থানীয় নেতৃত্বও জানিয়েছে, তাঁদের কোনও বিক্ষোভ কর্মসূচি ছিল না।
এ খবর প্রকাশের পরই ক্ষোভে ফেটে পড়েন বহু মানুষ। হাকিমপুরে সংবাদমাধ্যমের কর্মীদের সঙ্গে বচসা বাঁধে এবং অভিযোগ, তাঁদের উপর চড়াও হয়ে মারধরও করা হয়। সংবাদমাধ্যমের কয়েকটি গাড়ি লক্ষ্য করে হামলা এবং ধাওয়া চালানোর অভিযোগও ওঠে। ঘটনার পর থেকে এলাকা থমথমে, এবং স্থানীয়দের দাবি, আপাতত বিএসএফ চেকপোস্টের সামনে সংবাদমাধ্যমের প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা জারি হয়েছে।










