দুর্গাপুরে বেসরকারি মেডিক্যাল কলেজের দ্বিতীয় বর্ষের ডাক্তারি পড়ুয়া ধর্ষণ মামলায় সোমবার চাঞ্চল্যকর এক মোড় নেয়।
এদিন এই ঘটনায় চার্জশিটে নাম থাকা ধৃত ছয় জেল থেকে দুর্গাপুর মহকুমার অতিরিক্ত জেলা আদালতে তোলা হয়। শুনানিতে সরকারি ও অভিযুক্ত পক্ষের আইনজীবীর মধ্যে বাদানুবাদ হয় চার্জশিট ও তদন্ত প্রক্রিয়া নিয়ে।
নির্যাতিতার সহপাঠী ধৃত ওয়াসিফ আলির আইনজীবী শেখর কুন্ডু সওয়াল করার সময় বলেন, পুলিশ চাপের মুখে তড়িঘড়ি চার্জশিট দিয়েছে। তাই আদালতের হস্তক্ষেপ প্রয়োজন। তিনি আরও দাবি জানান, তদন্তের স্বচ্ছতার স্বার্থে থানার সিসিটিভি ফুটেজ জমা করা হোক।
অন্যদিকে বিশেষ সরকারি আইনজীবী বা স্পেশাল পিপি বিভাষ চট্টোপাধ্যায় বলেন, আইন অনুযায়ী শেখ শফিক ও শেখ রিয়াজউদ্দিনকে রাজসাক্ষী করার প্রস্তাব এদিন আদালতে দেওয়া হয়েছে। এই প্রস্তাবের পরিপ্রেক্ষিতে কি হবে, তা পরবর্তী সময়ে জানা যাবে। এদিন আদালতের বিচারক ধৃতদেরকে একদিনের জেল হেফাজতের নির্দেশ দেন। তিনি অভিযুক্ত পক্ষের আইনজীবীর সওয়াল করা নিয়ে সরাসরি কিছু বলতে চাননি।
তবে তিনি বলেন, আইন মতো যা করার পুলিশ তা করেছে। এদিকে, এই মামলায় ধৃত ছ’জনের মধ্যে দুজনকে রাজসাক্ষী করার প্রস্তাব সামনে আসায় তদন্তের নতুন দিক উন্মোচিত হতে পারে বলে মনে করছেন আইনজীবী মহল মনে করছে। এরপর বিচারকের পরবর্তী নির্দেশই এখন মামলার গতিপথ নির্ধারণ করবে বলে তারা মনে করেন।
প্রসঙ্গতঃ, এই ঘটনার ২০ দিনের মধ্যে দুর্গাপুরে নিউটাউন শিপ থানার পুলিশ ধৃত ছজনের নামে দুর্গাপুর মহকুমা আদালতে চার্জশিট জমা দিয়েছে। গত ১০ অক্টোবর রাতে এই ঘটনাটি ঘটেছিল।










