Home / খবর / জেলায় জেলায় / ৭টি ট্যাপ কল বসাতে দুর্গাপুর পুরসভার খরচ প্রায় ৪ লক্ষ টাকা, বিজেপি নেতা প্রশ্ন তুলতেই ব্যাপক চাঞ্চল্য

৭টি ট্যাপ কল বসাতে দুর্গাপুর পুরসভার খরচ প্রায় ৪ লক্ষ টাকা, বিজেপি নেতা প্রশ্ন তুলতেই ব্যাপক চাঞ্চল্য

দুর্গাপুর পুরসভার ৩০ নম্বর ওয়ার্ড গান্ধীনগর কলোনিতে পুরসভার উদ্যোগে ‘আমাদের পাড়া আমাদের সমাধান’ প্রকল্পের অধীনে সাতটি ট্যাপ কল বসানো হয়েছে।

তবে এই প্রকল্পে ব্যয়ের পরিমাণ নিয়ে শুরু হয়েছে তীব্র বিতর্ক। বিজেপির জেলা সাংগঠনিক কমিটির সহ সভাপতি চন্দ্রশেখর বন্দ্যোপাধ্যায় তাঁর এক্স হ্যান্ডেলে সংশ্লিষ্ট প্রকল্পের খরচ নিয়ে প্রশ্ন তুলতেই বিষয়টি নিয়ে দুর্গাপুর শিল্পাঞ্চলে ব্যাপক আলোড়ন পড়ে যায়।
এই বিষয়টি রাজনৈতিক রূপ নেওয়ার পাশাপাশি বিষয়টি কলকাতায় তৃণমূল দলের উচ্চ নেতৃত্বের নজরে চলে আসে।

এদিকে পুরসভা থেকে জানা গেছে, ওই ৩০ নম্বর ওয়ার্ড গান্ধীনগর কলোনি এলাকার বাসিন্দাদের আবেদনের ভিত্তিতে ‘আমাদের পাড়া আমাদের সমাধান’ প্রকল্পের মাধ্যমে ওই এলাকাতে ট্যাপ কল বসানোর সিদ্ধান্ত নেয় পুরসভা। সেই অনুযায়ী সম্প্রতি মোট সাতটি ট্যাপ কল স্থাপন করা হয়।

সরকারি নথিতে দেখা গেছে, এই কাজে মোট ব্যয় হয়েছে ৩ লক্ষ ৯১ হাজার ৭৫১ টাকা। প্রতিটি ট্যাপ কলের পাশে বোর্ড টাঙিয়ে খরচের হিসেবও উল্লেখ করা হয়েছে।

মোট সাতটি ট্যাপ কলের এই আশ্চর্যজনক ব্যয়ের অঙ্ক নিয়েই আপত্তি তুলেছেন বিজেপি নেতা চন্দ্রশেখর বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর অভিযোগ, “মাত্র সাতটি ট্যাপ কল বসাতে এত টাকা খরচ হওয়ার কোনও যুক্তি নেই। তাঁর দাবি, এক্ষেত্রে পরিষ্কারভাবে দুর্নীতি হয়েছে। উন্নয়নের নামে যথেচ্ছাচার ও চরম ভাঁওতাবাজি চলছে।” ওই ট্যাপ কল এবং খরচের বোর্ডের ছবি সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট করে প্রশ্ন তুলেছেন চন্দ্রশেখর বন্দ্যোপাধ্যায়।

ওদিকে এই বিতর্কের মাঝেই পুরসভার প্রশাসকমণ্ডলীর ভাইস চেয়ারপার্সেন ধর্মেন্দ্র যাদব সমস্ত অভিযোগ খারিজ করে দিয়ে বলেন, “এই পুরো কাজ সরকারি নিয়ম মেনেই হয়েছে। নির্দিষ্ট বাজেট তৈরি করে টেন্ডার ডেকে পাইপলাইন সহ ট্যাপ কল বসানো হয়েছে। বোর্ডেই সব তথ্য স্পষ্টভাবে লেখা রয়েছে।

চন্দ্রশেখরবাবুর পাল্টা দাবি, যে পাইপলাইন বসানোর কথা বলা হচ্ছে, তা আগেই তৈরি করা ছিল। স্থানীয় বাসিন্দাদের একাংশই খরচের পরিমাণ দেখে বিস্মিত হয়ে তাঁকে বিষয়টি জানিয়েছেন বলেও দাবি তাঁর।

সিপিএম নেতাদের বক্তব্য, তৃণমূল মানেই শুধু দুর্নীতি। ৭টি প্লাস্টিকের ট্যাপ কল বসাতে প্রায় ৪ লক্ষ টাকা খরচ হয় ? আমাদের কিছু বলার ভাষা নেই।

তৃণমূল অবশ্য সমস্ত অভিযোগকে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলে দাবি করেছে। দলের কয়েকজন নেতার বক্তব্য, এটি সরকারি প্রকল্প তাই সরকারি নিয়ম মেনেই রূপায়িত হয়েছে। একটি উন্নয়নমূলক প্রকল্পকে ঘিরে দুর্গাপুরে বিজেপি এখন রাজনীতি করছে। এ দিকে দুর্গাপুরের বাসিন্দারা যা বোঝার বুঝে গেছে।

alternatetext
Tagged:

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *