অভিষেক সেনগুপ্ত, জলপাইগুড়ি: কয়েক বছর বাদে ফের জেলা বইমেলার আসর বসল সদর শহরে। শহরের ফণীন্দ্র দেব ইন্সটিটিউটের খেলার ময়দানে আয়োজিত হতে চলেছে এই বইমেলা। বৃহস্পতিবার দুপুরে এই উপলক্ষ্যে এক বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রার আয়োজন করা হয়। বিকেলে মেলার উদ্বোধন করেন রাজ্যের গ্রন্থাগারমন্ত্রী সিদ্দিকুল্লা চৌধুরি ও কবি শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়। ছিলেন প্রশাসনিক আধিকারিক ও জনপ্রতিনিধিরাও।
গত বছরে জেলা বইমেলার আসর বসে মালবাজারে। বিগত কয়েক বছর ধরেই জেলার একাধিক শহরে বইমেলা আয়োজিত হয়। ফের এ বারে বইমেলা ফিরল সদর শহরে। এ দিন বইমেলা প্রাঙ্গন থেকে এক বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা বের হয়। পুর প্রধান সৈকত চট্টোপাধ্যায়, এসজেডিএ-র চেয়ারম্যান দিলীপ দুগ্গার, সুব্রত পাল, তপন বন্দ্যোপাধ্যায়-সহ পুর প্রতিনিধি ও আধিকারিকরা পথ হাঁটেন। ছিলেন শহরের একাধিক স্কুলের পড়ুয়া ও শিক্ষকেরাও। পরে, ফনীন্দ্রদেব ইন্সটিটিউটের ক্রীড়াঙ্গনে বইমেলার সূচনা করেন জনশিক্ষা প্রসার ও গ্রন্থাগারমন্ত্রী সিদ্দিকুল্লা চৌধুরি ও কবি শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়।
৩৭তম জলপাইগুড়ি জেলা বইমেলায় এ বারে বিভিন্ন প্রকাশনীর ১১২টি স্টল থাকছে। ফি দিন থাকছে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানও। মেলা চলবে ১০ই ডিসেম্বর পর্যন্ত। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে ছিলেন জেলা পরিষদের সভাধিপতি কৃষ্ণা রায়বর্মণ, রাজগঞ্জের বিধায়ক খগেশ্বর রায়, সদর বিধায়ক প্রদীপ কুমার বর্মা প্রমুখ।

শামা পারভীন, জেলাশাসক
জেলাশাসক শামা পারভীন বলেন, “বই পড়ার একটা আলাদা অনুভূতি রয়েছে। অনলাইনে বই পড়ায় সে অনুভূতি আসে না। আমরা এই মেলা থেকে ১২ লক্ষ টাকার বই কিনে জেলা গ্রন্থাগার-সহ অন্য গ্রন্থাগারে পাঠাব।”

সিদ্দিকুল্লা চৌধুরি, গ্রন্থাগার মন্ত্রী
মন্ত্রী সিদ্দিকুল্লা চৌধুরি বলেন, “গত রাজ্যব্যাপী বইমেলায় সাড়ে ১৪ কোটি টাকার বই বিক্রি হয়েছে। জেলাগত ভাবে মালদহে সবচেয়ে বেশি বই বিক্রি হয়। জলপাইগুড়ি সবাইকে আপন করে নেয়। উত্তরবঙ্গের ঐতিহ্যবাহী জেলা এটি। এ বারের বইমেলা নিয়ে আমি আশাবাদী।”










