ছবি: বুবাই শীল
অভিষেক সেনগুপ্ত, জলপাইগুড়ি: জেলার ৮০ হাজার কৃষিজীবীকে রবি মরসুমে বিমার আওতার আনার উদ্যোগ জেলা প্রশাসন ও কৃষি দফতরের। আলু চাষেও এ বারে বিমার সুযোগ পাবেন কৃষকেরা। বৃহস্পতিবার জেলা জুড়ে শস্য বিমার প্রচারাভিযানের অংশ হিসেবে ট্যাবলোর পথচলা শুরু হল জেলাশাসকের দফতর থেকে। সবুজ পতাকা নেড়ে ট্যাবলোর সূচনা করলেন জেলা পরিষদের সভাধিপতি কৃষ্ণা রায়বর্মণ, জেলাশাসক শামা পারভীন ও কৃষি দফতরের উপ-অধিকর্তা সুমিত বসাক-সহ অন্যরা।

বাংলার শস্য বিমার ট্যাবলো উদ্বোধন করছেন জেলা সভাধিপতি ও জেলাশাসক
বিগত বছরে জেলার ৭১ হাজার কৃষককে এই বিমার আওতায় আনা হয়। এ বছরে লক্ষ্যমাত্রা বেড়েছে। চলতি রবি মরসুমে জেলার ৮০ হাজার কৃষিজীবি এই বিমার আওতায় আসতে চলেছেন। অন্তর্ভুক্ত হবেন আলু চাষিরাও। এ দিন জেলাশাসকের দফতর থেকে সুসজ্জিত এক ট্যাবলোর উদ্বোধন করা হয়। জেলার বিভিন্ন ব্লকে প্রচার চালান হবে এই ট্যাবলোর মাধ্যমে।

সুমিত বসাক, উপ-কৃষি অধিকর্তা (প্রশাসন)
কৃষি দফতরের উপ-অধিকর্তা (প্রশাসন) সুমিত বসাক বলেন, “ট্যাবলোর পাশাপাশি, পোস্টারিং,লিফলেট বিলি করেও গ্রামীণ এলাকার হাট-বাজারে প্রচার চলছে। যাদের জমির কাগজ নেই তারাও অঞ্চল প্রধানের শংসাপত্র নিয়ে নির্দিষ্ট ফর্ম পূরণ করে এই বিমার সুযোগ নিতে পারবেন।”
জেলাশাসক শামা পারভীন বলেন, “এ বারে ব্লকপিছু একটি করে ট্যাবলো থাকবে। এই বিমায় কৃষকদের নিজেদের কোনও প্রিমিয়াম দিতে হবে না। গত বছর আমরা ভাল সাড়া পেয়েছি। এ বারে তাই লক্ষ্যমাত্রা বাড়ানো হয়েছে।”
জেলা পরিষদের সভাধিপতি কৃষ্ণা রায়বর্মণ বলেন, “আমি নিজে কৃষি প্রধান এলাকার বাসিন্দা। আমরা চাই, এই যোজনার সুযোগ প্রতিটি কৃষিজীবি নিক।”










