প্রতীকী ছবি
উজ্জ্বল বন্দ্যোপাধ্যায়, ক্যানিং : একেবারে ফিল্মি কায়দায় গরু-সহ দুই চোরকে ধরল ক্যানিং থানার পুলিশ। ধৃত অনুপ হালদার ও মোজাম গাজির বাড়ি যথাক্রমে জয়নগর ও বারুইপুর এলাকায়। পালিয়ে যাওয়া আরও তিন চোরের খোঁজে চলছে পুলিশের তল্লাশি। ঘটনাস্থল থেকে বাজেয়াপ্ত হয়েছে চুরির গাড়ি ও চারটি গরু।
উত্তর ২৪ পরগনার হাসনাবাদের ভেবিয়া চৌমাথা এলাকার বাসিন্দা কামানুজ্জামান মোল্লা শুক্রবার রাত দুই নাগাদ বুঝতে পারেন, তাঁর গোয়ালঘর থেকে তিনটি গরু চুরি হয়েছে। তিনি সঙ্গে সঙ্গে প্রতিবেশীদের ডেকে গাড়ি নিয়ে চোরদের ধাওয়া শুরু করেন। খবর যায় হাসনাবাদ, মিনাখাঁ, বাসন্তী ও ক্যানিং থানায়। তিন থানার পুলিশই চোর ধরতে নামে।
চোরেরা বাসন্তী হাইওয়ে ধরে পালাতে থাকে। মিনাখাঁ ও বাসন্তী থানার পুলিশের চোখ ফাঁকি দিয়ে তারা মাতলা ব্রিজ টপকে ক্যানিং থানার এলাকায় ঢুকে পড়ে। আগাম খবর পেয়ে ক্যানিং থানার এসআই ইজাজ আহমেদ বিশাল পুলিশবাহিনী নিয়ে ওঁত পেতে ছিলেন। মাতলা ব্রিজে চোরদের গাড়ি দেখে ধাওয়া শুরু হয়।
চোরেরা দ্রুতগতিতে পালাতে গিয়ে ক্যানিং মহকুমা শাসকের অফিসের কাছে একটি গাড়ির সঙ্গে ধাক্কা খায়। দুর্ঘটনায় আহত হয় মোজাম গাজি নামে এক দুষ্কৃতী। তাকে এবং অনুপ হালদারকে ঘটনাস্থলেই গ্রেফতার করে পুলিশ। আহত মোজামকে ভর্তি করা হয়েছে ক্যানিং মহকুমা হাসপাতালে।
ঘটনায় একটি গরুর মৃত্যু হলেও আহত অন্য গরুগুলির চিকিৎসার ব্যবস্থা করেছে পুলিশ। কামানুজ্জামান মোল্লা বলেন, ‘‘গরু চুরির টের পেয়ে প্রতিবেশীদের নিয়ে ধাওয়া করি। পথে তিন থানাকে খবর দিই। ক্যানিং থানার পুলিশ দ্রুত এসে দুই চোরকে ধরে ফেলে।’’
পুলিশ জানিয়েছে, পালিয়ে যাওয়া তিন চোর বিজু, কচি ও আরও এক সহযোগীর খোঁজে তল্লাশি চলছে।










