অভিষেক সেনগুপ্ত, জলপাইগুড়ি: গৃহশিক্ষকদের সংগঠনের লাগাতার আন্দোলনের জের। আইন ভেঙে গৃহশিক্ষকতা করায় স্কুল কর্তৃপক্ষের তরফে ‘কারণ দর্শানোর’ নোটিশ পেলেন শহরের এক সরকারি স্কুলের জনাকয়েক শিক্ষক। শনিবার ঘটনার কথা প্রকাশ্যে আসতেই চাঞ্চল্য ছড়াল শহরের শিক্ষা মহলে। স্কুল কর্তৃপক্ষের উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়েছেন গৃহশিক্ষকেরা। সামনেই জলপাইগুড়ি জিলা স্কুলের সার্ধশতবর্ষের অনুষ্ঠান। তার আগেই ওই স্কুলের এমন ঘটনা প্রকাশ্যে আসায় বিতর্কের সৃষ্টি হয়েছে।
আইন ভেঙে সরকারি স্কুলের একাংশ শিক্ষক চুটিয়ে গৃহশিক্ষকতা করে চলেছেন শহর ও লাগোয়া এলাকায়। এমনটাই অভিযোগ গৃহশিক্ষকদের সংগঠন টিউটরস্ ওয়েলফেয়ার অ্যাসোসিয়েশন অব ইন্ডিয়ার জলপাইগুড়ি জেলা শাখার। সম্প্রতি সংগঠনের বার্ষিক সম্মেলনেও এ বিষয়ে কঠোর পদক্ষেপের জোরালো আওয়াজ ওঠে। সূত্রের খবর, ২০২৫ সালে জেলাশাসকের দফতরে দুটি অভিযোগপত্র জমা করেন সংগঠনের পদাধিকারীরা। জেলাশাসকের নির্দেশেই ওই স্কুলের কমবেশি ১৪জন শিক্ষককে ‘শো কজের’ নোটিশ ধরায় স্কুল কর্তৃপক্ষ। নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে উত্তর দিতে বলা হয়েছে অভিযুক্তদের বলে সূত্রের খবর।
গৃহশিক্ষকদের সংগঠনের কার্যকরী সভাপতি শতদ্রু রায় বলেন, “হাইকোর্ট ও রাজ্য সরকারের নির্দেশ অমান্য করে ‘প্রাইভেট টিউশনের’ সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন সরকারি শিক্ষকদের একাংশ। গত ডিসেম্বরে আমরা আরটিআইও করেছিলাম। প্রশাসন কড়া পদক্ষেপ নিক, এটাই চাই।” জিলা স্কুলের প্রধান শিক্ষক ধর্মচাঁদ বাড়ই ঘটনার কথা স্বীকার করে নিয়েছেন৷ তিনি বলেন, “জেলাশাসকের নির্দেশেই এই পদক্ষেপ। শোকজের উত্তর এলে সবটা বোঝা যাবে।”
এ বিষয়ে জেলাশাসক ও অভিযুক্ত শিক্ষকদের সঙ্গে যোগাযোগ করা যায়নি।










