Home / খবর / জেলায় জেলায় / কয়লা পাচার মামলা, ১৮ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত ইডি হেফাজত রানিগঞ্জ ও দুর্গাপুরের কারবারি চিন্ময় মণ্ডল ও কিরণ খাঁয়ের

কয়লা পাচার মামলা, ১৮ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত ইডি হেফাজত রানিগঞ্জ ও দুর্গাপুরের কারবারি চিন্ময় মণ্ডল ও কিরণ খাঁয়ের

আসানসোল : কয়লা পাচারের কলকাতায় হওয়া নতুন মামলায় এবার গ্রেফতার হল রানিগঞ্জ ও দুর্গাপুরের দুই কয়লা কারবারি চিন্ময় মন্ডল ও কিরণ খাঁ।

তদন্তে অসহযোগিতা ও প্রশ্নের উত্তর না দেওয়ায় এই দুজনকে সোমবার গভীর রাতে গ্রেফতার করা হয়েছে বলে ইডি সূত্রে জানানো হয়েছে। এই দুজনের পাশাপাশি সোমবার আসানসোল দুর্গাপুর পুলিশ কমিশনারেটের বুদবুদ থানার ওসি মনোরঞ্জন মন্ডলকে সিজিও কমপ্লেক্সে তলব করা হয়েছিল।

মঙ্গলবার সকালে ধৃত দুজনকে কলকাতায় আদালতে পেশ করে ইডি হেফাজতে নেওয়ার আবেদন করে। সেই আবেদনের ভিত্তিতে বিচারক তাদের জামিন নাকচ করে আগামী ১৮ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত ইডি হেফাজতের নির্দেশ দেন। এদের বিরুদ্ধে প্রোটেকশন মানি নিয়ে আসানসোল রানিগঞ্জ কয়লাখনি এলাকায় বেআইনি ভাবে কয়লা খনন ও পরে সেই কয়লা পাচার করার অভিযোগ রয়েছে।
স্বাভাবিক ভাবেই কয়লা পাচার মামলায় নতুন করে ইডির তৎপরতা ও গ্রেফতারি হওয়ায় আসানসোল দুর্গাপুর শিল্পাঞ্চলে শোরগোল পড়েছে।

কয়লা পাচারের এই মামলাটি মাস ছয়েক আগে ইডি কলকাতায় নথিবদ্ধ করেছিল। তার ভিত্তিতেই ইডি তদন্ত শুরু করেছিল। নতুন হওয়া এই মামলায় এই প্রথম গ্রেফতার হল বলে ইডি সূত্রে জানা গেছে। ইডি সূত্রে আরও জানা গেছে, এই দুজন এই সিন্ডিকেটের অন্যতম কারিগর।

গোটা সিন্ডিকেটে মনোরঞ্জন মন্ডলের ঠিক কি ভূমিকা রয়েছে তা ইডির তদন্তকারী অফিসাররা তদন্ত করে দেখছেন। হেফাজতে নেওয়া দুই কয়লা কারবারিকে জেরা করে আরও তথ্য পাওয়া যাবে বলে ইডির আধিকারিকরা মনে করছেন।

সেই তথ্য ধরে এই মামলার তদন্ত একদিকে যেমন এগিয়ে নিয়ে যাওয়া সম্ভব হবে, তেমনই এই সিন্ডিকেটের মাথা রাঘববোয়ালদের নাম মিলবে বলে ইডির আধিকারিকদের দাবি।

প্রসঙ্গত, গত ৩ ফেব্রুয়ারি মঙ্গলবার সাতসকালেই বাংলার একাধিক জায়গায় অভিযানে চালিয়েছিল ইডি। কয়লা পাচার মামলায় দুর্গাপুর, আসানসোল, বর্ধমান, দিল্লি সহ ৯টি জায়গায় তল্লাশি অভিযান চালানো হয়েছিল । সূত্রের খবর, কয়লা পাচারের কালো টাকা হাওয়ালার মাধ্যমে কোনপথে কার কার কাছে গেছে, তার খোঁজেই এই অভিযান চালায় ইডি।

এছাড়াও কয়লা পাচারে প্রোটেকশন মানি কারা নিত, কার মাধ্যমে তা হতো সেই বিষয়ের খোঁজেও সক্রিয় হয়েছে ইডি। সেদিনের অভিযানে এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট বা ইডির আধিকারিকদের সঙ্গে ছিলেন কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ানরা।
অভিযান চলে পান্ডবেশ্বরের কয়লা ব্যবসায়ী শেখ মইদুল, জামুড়িয়ায় ব্যবসায়ী রাজেশ বনশল, কাঁকসার হাসিম মির্জা রেজা ও রানিগঞ্জের কিরন খানের বাড়িতে।

ইডি সূত্রের খবর জামুড়িয়ায় রাজেশ বনশলের বাড়ি থেকে প্রায় ১ কোটি টাকার মতো নগদ টাকা ও গুরুত্বপূর্ণ নথি পাওয়া গেছে।

alternatetext
Tagged:

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *