Home / খবর / শিল্প-বাণিজ্য / ক্ষুদ্র চা চাষিদের পাশে ব্রিটিশ সংস্থা, বিদেশে বিপণনের সম্ভাবনায় নতুন আশার সঞ্চার

ক্ষুদ্র চা চাষিদের পাশে ব্রিটিশ সংস্থা, বিদেশে বিপণনের সম্ভাবনায় নতুন আশার সঞ্চার

ছবি: বুবাই শীল

অভিষেক সেনগুপ্ত, জলপাইগুড়ি: সুদূর অতীতে এই জেলা তথা উত্তরবঙ্গে চা বাগানের পত্তন করে ইংরেজরা। এর পরে অনেক জল বয়ে গিয়েছে তিস্তা দিয়ে। এ বারে এক ইংরেজ সংস্থার হাত ধরেই বিদেশে নিজেদের উৎপাদিত চা বিক্রির স্বপ্ন দেখছেন জেলার ক্ষুদ্র চা চাষিরা।

জেলা ক্ষুদ্র চা চাষি সমিতির কর্মশালা

মঙ্গলবার দুপুরে শহরের কদমতলার এক রেস্তোরাঁয় একদিবসীয় কর্মশালার আয়োজন করে জেলা ক্ষুদ্র চা চাষি সমিতি। বিলাতি সংস্থার সহযোগিতায় আয়োজিত ওই কর্মশালায় চা পর্ষদের সহকারী অধিকর্তা নিপুন বর্মণ, সমিতির সভাপতি রজত রায় কার্জি, সম্পাদক বিজয় গোপাল চক্রবর্তী-সহ জেলার ক্ষুদ্র চা চাষিরা অংশ নেন। সমিতির দাবি, এই জেলা ও উত্তরবঙ্গে ৫০ হাজার ক্ষুদ্র চা বাগান রয়েছে। দুই-তিন লক্ষ মানুষ প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে ক্ষুদ্র চা চাষের সঙ্গে জড়িত।

সমিতির দাবি, উত্তরবঙ্গের মোট চা উৎপাদনের কমবেশি ৬৫ শতাংশ আসে ছোট বাগান গুলি থেকেই। দেশে উৎপাদিত চায়ের ৫৫ শতাংশই ক্ষুদ্র বাগান থেকে আসে বলেও দাবি। তবে, বর্তমানে কাঁচা পাতার দাম কমে যাওয়া, জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব-সহ একাধিক সমস্যায় বিপাকে পড়েছেন ক্ষুদ্র চা চাষিদের বড় অংশই। এ দিন চা চাষিদের কাছ থেকে তাদের সমস্যার কথা শোনেন ওই বিদেশি সংস্থার পদাধিকারী দীপঙ্কর সেনগুপ্ত-সহ অন্যরা। ইতিমধ্যে কেনিয়াতে একাধিক প্রকল্প চালু করেছে সংস্থাটি। এ বারে তাদের নজর উত্তরবঙ্গ ও অসমের চা চাষের দিকে।

বিজয় গোপাল চক্রবর্তী, সম্পাদক, জেলা ক্ষুদ্র চা চাষি সমিতি

ক্ষুদ্র চা চাষি সমিতির জেলা সম্পাদক বিজয় গোপাল চক্রবর্তী বলেন, “আমাদের থেকে চা কিনে নিয়ে ব্র্যান্ডিং করে অনেক কোম্পানি বিদেশে বিপণন করছে। মহাসঙ্ঘ গড়ে আমরাও ব্রান্ডিং করে বিপণন করতে পারি কিনা সে বিষয়ে ভাবনাচিন্তা চলছে। আজ এই সংস্থার সঙ্গে সদর্থক আলোচনা হল। চাষিদের সমস্যা জেনে ওরা পাইলট প্রোজেক্ট চালু করতে চলেছে।”

alternatetext
Tagged:

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *