Home / খবর / জেলায় জেলায় / ১৫ দিন ধরে খোঁজ নেই আসানসোলের নবম শ্রেণির স্কুল পড়ুয়ার, গ্যারেজ মেকানিকের বিরুদ্ধে অভিযোগ

১৫ দিন ধরে খোঁজ নেই আসানসোলের নবম শ্রেণির স্কুল পড়ুয়ার, গ্যারেজ মেকানিকের বিরুদ্ধে অভিযোগ

আসানসোল : ১৫ দিনেরও বেশি সময় পার হয়ে গেলেও খোঁজ নেই আসানসোল শহরের দরিদ্র অসহায় পরিবারের নাবালিকা নবম শ্রেণির এক স্কুল পড়ুয়ার । গত ৩১ অক্টোবর থেকে নিখোঁজ রয়েছে কিরন লাল নামে ওই স্কুল পড়ুয়া।

অভিযোগ, আসানসোল গুরু নানক স্কুলের এই পড়ুয়াকে অন্যত্র কাজের টোপ ও টাকার লোভ দেখিয়ে ডামরা এলাকার বাসিন্দা ভিকি পাসোয়ান নামে এক গ্যারেজ মেকানিক এক যুবক ফুঁসলিয়ে নিয়ে গেছে। পরিবারের আরও অভিযোগ, তাকে সম্ভবত অন্যত্র পাচার করে দেওয়া হয়েছে। মাঝে একবার ওই স্কুল পড়ুয়া অচেনা নং থেকে ফোন করেছিল। তারপর থেকে ওই মোবাইল সুইচ অফ রয়েছে ।

স্কুল পড়ুয়ার বাবা রাজেশ লাল আসানসোল দক্ষিণ থানায় মেয়ের নিখোঁজের দিনই লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। সেই অভিযোগের ভিত্তিতে এফআইআর করে পুলিশ ( নং ৩৬৩ তারিখ ১.১১.২৫ )।

পরিবারের তরফে বলা হয়েছে, মেয়েকে খুঁজে বার করতে পুলিস যে তদন্ত করছে তা কিভাবে হচ্ছে বা তদন্ত কতদূর এগিয়েছে সেই ব্যাপারে পুলিস কাউকে কোনও কিছুই অবহিত করছে না।

রেখা ভট্টাচার্য নামে এক মানবধিকার কর্মী থানায় গেলে তাঁর সঙ্গে দুর্ব্যবহার করা হয় বলে অভিযোগ। এর প্রতিক্রিয়ায় রেখাদেবীর ক্ষোভ, এর ভেতরে অন্য খেলা চলছে।

নিখোঁজ এই স্কুল পড়ুয়ার বাড়ি আসানসোলের ২ নং মহিশীলা কলোনির খেজুর তলায়। আসানসোল পুরনিগমের ৮৫ নং তৃণমূল অফিসের ঠিক সামনে। স্কুল পড়ুয়ার বাবা হার্টের রোগী ও মা লোকের বাড়ি বাড়ি কাজ করেন।

এই প্রসঙ্গে সমাজকর্মী তথা পেশায় আসানসোলের স্কুল শিক্ষক বিশ্বনাথ মিত্র বলেন, আমাকে বিষয়টি দেখতে অনুরোধ করে পরিচিত এক দুজন ঘটনাটি জানান। আমি ইতিমধ্যেই ৮৫ নং ওয়ার্ডের তৃণমূল কাউন্সিলার কল্যাণী রায়কে বিষয়টি অবগত করেছি। চাইল্ড লাইনেও (১০৯৮) আমি গোটা বিষয়টি জানিয়েছি। তারা নিজেদের মতো করে বিষয়টি দেখছে। এর পাশাপাশি আসানসোল দক্ষিণ থানার ইন্সপেক্টর ইনচার্জকে গোটা বিষয়ে উপযুক্ত ব্যবস্থা নিতে অনুরোধ করেছি। আশা করি মেয়েটিকে উদ্ধার করে তার মায়ের কাছে পৌঁছে দেবে পুলিশ।

অন্যদিকে, একটি সূত্র থেকে জানা গেছে, ওই স্কুল পড়ুয়াকে নিয়ে ওই যুবক ভিন রাজ্যে পালিয়েছে।

alternatetext
Tagged:

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *