আসানসোল নর্থের কন্যাপুর ফাঁড়ি এলাকার রায় ময়দান থেকে এক আদিবাসী যুবকের রক্তাক্ত দেহ উদ্ধার হওয়ায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। মৃতের পরিচয় পাঁচগাছিয়া কাপটিয়া এলাকার বাসিন্দা বিষ্ণু হেমব্রম হিসেবে নিশ্চিত করেছে পুলিশ।
ঘটনাস্থলে ভিড়, খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছেই পুলিশ এলাকা ঘিরে তদন্ত শুরু করে। পাশাপাশি বিপুল সংখ্যক আদিবাসী সমাজের মানুষ ঘটনাস্থলে ভিড় জমায়।
পুলিশ দেহটি উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য আসানসোল জেলা হাসপাতালে পাঠিয়েছে। মদের বোতল ও গ্লাস উদ্ধার।
পুলিশ জানিয়েছে, ঘটনাস্থল থেকে একটি মদের বোতল ও কয়েকটি প্লাস্টিকের গ্লাস উদ্ধার হয়েছে। প্রাথমিক অনুমান, বিষ্ণু সেখানে একা ছিলেন না। মদ্যপানের সময় কোনও বিবাদ বাঁধে এবং সেই বচসা থেকেই মারামারি ও পরবর্তীতে খুনের ঘটনা ঘটতে পারে বলে মনে করছে তদন্তকারীরা।
তবে ঘটনাস্থল থেকে কোনও অস্ত্র উদ্ধার না হওয়ায় রহস্য আরও গভীর হয়েছে।
পরিবারের দাবি, কারোর সাথে শত্রুতা ছিল না। মৃতের পরিবার জানিয়েছে, বিষ্ণু হেমব্রম পেশায় রাজমিস্ত্রি ছিলেন এবং কারও সঙ্গে তাঁর কোনও বৈরিতা ছিল না। সোমবার সন্ধ্যায় তিনি “কাজ রয়েছে” বলে বাড়ি থেকে বেরিয়েছিলেন এবং শীঘ্রই ফিরে আসবেন বলেছিলেন। কিন্তু আর বাড়ি ফেরেননি। মঙ্গলবার সকালে পরিবারের কাছে খবর আসে, রায় ময়দানে তাঁর দেহ পড়ে রয়েছে।
কান্নায় ভেঙে পড়ল পরিবার, দোষীদের শাস্তির দাবি
পরিবার ঘটনাস্থলে পৌঁছালে তাঁদের কান্নায় পরিবেশ ভারী হয়ে ওঠে। পরিবারের অভিযোগ, বিষ্ণুকে পরিকল্পিতভাবে খুন করা হয়েছে। দোষীদের দ্রুত গ্রেফতার ও কঠোর শাস্তি দাবিও জানানো হয়েছে।
তদন্তে পুলিশ—সব দিক খতিয়ে দেখা হচ্ছে, পুলিশ ঘটনার নানাদিক খতিয়ে দেখছে এবং আশপাশের বাসিন্দাদের জিজ্ঞাসাবাদ করছে।
ময়নাতদন্তের রিপোর্ট পাওয়ার পর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ স্পষ্ট হবে বলে জানিয়েছেন তদন্তকারীরা।









