অভিষেক সেনগুপ্ত, জলপাইগুড়ি: কালো জাদু নাকি সম্পত্তির লোভ! নাকি দুটোই। বাহাদুর জিপির বৃদ্ধা খুনে তারই এক জামাইকে ধরল কোতয়ালি থানার পুলিশ। এই দুই দিক নিয়েই এবারে তদন্ত জোরদার করল পুলিশ। মঙ্গলবার ধৃত জামাই আলামিন হককে গ্রেপ্তার করে আদালতে তুলে রিমাণ্ডের আবেদন জানাল পুলিশ।গত শনিবার বাহাদুর জিপি-র বণিজের হাট এলাকায় এক বৃদ্ধার নৃশংস হত্যাকাণ্ড ঘটে। সমিজা খাতুন নামের বছর ৭৩-এর ওই মহিলার মৃত্যু নিয়ে ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়ায় এলাকায়। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে যায় ফরেনসিক দল। নামানো হয় স্নিফার ডগও। কাটা মুণ্ডুর কোনও হদিস না মেলায় ড্রোনেরও সহায়তা নেয় পুলিশ। তবে, এখনও কাটা মুণ্ডুর কোনও সন্ধান পাওয়া যায়নি। মঙ্গলবার কোতয়ালি থানায় এসে সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার শৌভনিক মুখোপাধ্যায় বলেন, “ওই মহিলার প্রয়াত স্বামী একসময় তান্ত্রিক ছিলেন। ওই এলাকার এক তান্ত্রিকের সঙ্গে মৃতা ও ধৃত জামাইয়ের যোগাযোগ ছিল। রাজগঞ্জের এক তান্ত্রিকের সঙ্গেও এদের যোগাযোগ রয়েছে।” তার কথায়, মহিলা কিছু সম্পত্তি পেয়েছিলেন। তা নিয়েও পারিবারিক বিবাদ রয়েছে। ধৃত আলামিন শ্বশুরবাড়িতেই ঘরজামাই হিসেবে থাকতেন। ঘটনার দিনের পরে তিনি রহস্যজনক ভাবে উধাও হয়ে যান। মঙ্গলবার শিলিগুড়ির এক জায়গা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করে আনে পুলিশ। আর এক ওঝারও খোঁজ চলছে বলে জানিয়েছে পুলিশ। অতিরিক্ত পুলিশ সুপার বলেন, “সব দিক মাথায় রেখেই তদন্ত চলছে।”
ছবি: বুবাই শীল









