উজ্জ্বল বন্দ্যোপাধ্যায়,ক্যানিং : চলতি বিধানসভার ভোটের আগে দলবদলের ঘটনা বেড়ে চলেছে দক্ষিণ ২৪ পরগনায়।গোসাবার পর এবার ক্যানিংয়ে বড় ভাঙন তৃণমূলের ঘরে।এবার তৃণমূল ছাড়লেন একদল নেতা। শৈবাল লাহিড়ীর নেতৃত্বে বিজেপিতে যোগদান একঝাঁক হেভিওয়েট নেতার।দক্ষিণ ২৪ পরগনার ক্যানিং-১ ব্লকের তৃণমূল ব্লক সভাপতি তথা জেলা পরিষদের প্রাক্তন সহ সভাধিপতি শৈবাল লাহিড়ীর হাত ধরে পদ্ম শিবিরে সামিল হলেন এলাকার একাধিক প্রভাবশালী নেতৃত্ব।আর এই যোগদানের ফলে ক্যানিং পশ্চিম বিধানসভা এলাকায় তৃণমূলের সাংগঠনিক ভিত খানিকটা নড়ে গেল বলে ও মনে করছে রাজনৈতিক মহলের একাংশ। কারণ, তৃণমূলের অত্যন্ত দক্ষ একজন সংগঠক ছিলেন এই শৈবাল। ফলত, তাঁর নেতৃত্বে এই যোগদান নিতান্তই তাৎপর্যপূর্ণ।তৃনমূল থেকে বিজেপিতে যোগদান করেছেন -বিজন কৃষ্ণ মন্ডল: বাঁশড়া গ্রাম পঞ্চায়েতের বর্তমান অঞ্চল সভাপতি ও প্রাক্তন প্রধান।খতিব সরদার: ইটখোলা অঞ্চলের বর্তমান সভাপতি ও প্রাক্তন প্রধান।আসমত মোল্লা: গোপালপুর অঞ্চলের বর্তমান সভাপতি।অর্ণব রায়: দিঘিরপাড় গ্রাম পঞ্চায়েতের ৪ বারের প্রাক্তন প্রধান।প্রতিমা সরদার: হাটপুকুরিয়া জিপি-র দীর্ঘদিনের প্রাক্তন প্রধান (২০১৩-২০২৩)।সুমিত ঘোষ: ক্যানিং-১ ব্লক তৃণমূল ছাত্র পরিষদের বর্তমান সভাপতি।এছাড়াও সিরাজউদ্দিন দেওয়ান (প্রাক্তন উপ-প্রধান, বাঁশড়া), রফিক সেখ(যুগ্ম আহ্বায়ক, নিকারিঘাটা), নন্দকিশোর সরদার (প্রাক্তন প্রধান, গোপালপুর), বদরোদ্দোজা সেখ (প্রাক্তন কর্মাধ্যক্ষ, পঞ্চায়েত সমিতি), এবং সঞ্জয় নস্কর ও শম্ভু বৈদ্যের মতো নেতৃত্বরা বিজেপির দলীয় পতাকা হাতে তুলে নেন।এর পরে বিজেপি নেতৃত্বের দাবি, ক্যানিং -১ নং ব্লকের এই দলবদল নির্বাচনের ফলাফলে বড় প্রভাব ফেলবে। বিশেষ করে বাঁশড়া, ইটখোলা, গোপালপুর ও তালদি অঞ্চলে তৃণমূলের সংগঠন এক প্রকার নেতৃত্বহীন হয়ে পড়ল।আর এর প্রভাব এবারে ভোটে পড়বে বলে বিজেপি নেতৃত্ব আশা করলেও তা মানতে নারাজ তৃনমুল কংগ্রেসের ক্যানিং পশ্চিম বিধানসভার প্রার্থী পরেশ রাম দাস।










