ভারতীয় ক্রিকেট দলে দুশ্চিন্তা বাড়ল শুবমন গিলকে আইসিইউ’তে ভর্তি করার পর। পুরো বিষয়টি সতর্কতামূলক হলেও উদ্বেগ কমছে না। ইডেন টেস্টের দ্বিতীয় দিনে মাত্র তিন বল খেলেই হঠাৎ ঘাড়ের তীব্র ব্যথায় মাঠ ছাড়তে বাধ্য হন ভারতের অধিনায়ক। পরে অ্যাম্বুল্যান্সে করে তাঁকে উডল্যান্ডস হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। চিকিৎসা চলছে ডা. সপ্তর্ষি বসুর তত্ত্বাবধানে। বর্তমান পরিস্থিতিতে রবিবার দ্বিতীয় ইনিংসে তাঁর ব্যাট করার সম্ভাবনা নেই। এমনকি গুয়াহাটির দ্বিতীয় টেস্টেও তিনি অত্যন্ত অনিশ্চিত।
শনিবার বিসিসিআই এক্স হ্যান্ডেলে জানিয়েছিল, শুবমনের ঘাড়ে ব্যথা রয়েছে এবং মেডিক্যাল টিম তাঁকে পর্যবেক্ষণ করছে। সকাল থেকেই ব্যথা বাড়তে থাকে তাঁর। এমনকি ব্যথানাশক ওষুধও গ্রহণ করেন। কিন্তু সাইমন হার্মারের বলে সুইপ শট খেলতেই ব্যথা আরও তীব্র হয়ে যায়। ফিজিও মাঠে এলেও শেষ পর্যন্ত সেই অবস্থায় খেলা সম্ভব হয়নি। ঘাড় ঘোরাতে পারছিলেন না তিনি। পাশাপাশি মেরুদণ্ডেও অস্বস্তি তৈরি হয়েছে।
জানা গেছে, গিলের এমআরআই করা হয়েছে। প্রায় এক বছর আগে একই ধরনের চোট পেয়েছিলেন তিনি। এবার রিপোর্টে ঘাড় শক্ত হয়ে যাওয়ার প্রমাণ মিলেছে। তাঁর ‘নেক স্প্যাজম’ ধরা পড়েছে, যেখানে ঘাড়ের পেশি হঠাৎ খিঁচকে যায় এবং প্রচণ্ড যন্ত্রণা হয়। ভারতের বোলিং কোচ মর্নি মর্কেলের মতে, রাতের ঘুমের সমস্যাও এমন চোটের কারণ হতে পারে।
দ্বিতীয় দিনের খেলায় আর ব্যাট করতে নামেননি গিল। তাঁর অনুপস্থিতিতে ভারত একজন কম নিয়ে ব্যাট করে ১৮৯ রান তোলে। দ্বিতীয় দিনের শেষে দক্ষিণ আফ্রিকা ৬৩ রানে এগিয়ে। অসমান বাউন্স ও টার্নের কারণে তৃতীয় দিনে গিলকে ব্যাট করতে হলে সেটা দলের জন্য বড় সহায়তা হতো। তবে বর্তমান অবস্থায় তাঁকে পাওয়া যাবে কি না, তা অনিশ্চিত। হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র কবে মিলবে, তার ওপরই নির্ভর করছে মাঠে ফেরার সময়।










