বিবেকানন্দ যুবভারতী ক্রীড়াঙ্গনে ১২৫তম আইএফএ শিল্ডের ফাইনালে বিজয়ী মোহনবাগানকে ঐতিহ্যবাহী শিল্ড তুলে দেন ক্রীড়ামন্ত্রী অরূপ বিশ্বাস। ছবি: রাজীব বসু
১২৫তম আইএফএ শিল্ডের মুকুট ফিরল সবুজ-মেরুন শিবিরে। রবিবার যুবভারতী ক্রীড়াঙ্গনে রোমাঞ্চকর ফাইনালে টাইব্রেকারে চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী ইস্টবেঙ্গলকে ৫-৪ গোলে হারিয়ে শিল্ড জিতল মোহনবাগান। নির্ধারিত সময় শেষে খেলার ফল ছিল ১-১। অতিরিক্ত সময়েও গোল না হওয়ায় শেষমেশ ভাগ্য নির্ধারিত হয় টাইব্রেকারে। সেখানে দুরন্ত সেভে নায়ক হয়ে ওঠেন বাগান গোলকিপার বিশাল কাইথ। ২২ বছর পর আবার আইএফএ শিল্ড জিতল বাগান।
ম্যাচের শুরুটা ছিল ইস্টবেঙ্গলের দাপটে। ৩৭ মিনিটে মহেশের পাস থেকে গোল করেন হামিদ। সেই গোলেই এগিয়ে যায় লাল-হলুদ শিবির। তবে প্রথমার্ধ শেষের ঠিক আগেই সমতা ফেরায় মোহনবাগান। সাহালের ক্রসে লিস্টনের শট গোললাইন পেরোয়, যদিও বল ফিরে আসে বারে লেগে। লাইন্সম্যানের ইঙ্গিতেই গোল স্বীকৃতি পায়, যা পরে রিপ্লেতেও স্পষ্ট হয়।
দ্বিতীয়ার্ধে আক্রমণে আধিপত্য দেখালেও গোলের সুযোগ নষ্ট করে ইস্টবেঙ্গল। নির্ধারিত সময় এবং অতিরিক্ত সময় শেষে খেলা গড়ায় টাইব্রেকারে। সেখানেই ভাগ্য বদলে যায়। মিগুয়েলের গোলে ইস্টবেঙ্গল এগোলেও, পরে রবসন, মনবীর, লিস্টনরা গোল করেন বাগানের হয়ে। ম্যাচের মোড় ঘুরে যায় জয় গুপ্তার পেনাল্টি সেভে—দারুণ দক্ষতায় ডানদিকে ঝাঁপিয়ে কিক আটকান বিশাল কাইথ। সেই মুহূর্তেই কার্যত নির্ধারিত হয়ে যায় ফলাফল।
চলতি মরসুমে এটি ছিল তৃতীয় কলকাতা ডার্বি। আগের দু’টি জিতেছিল ইস্টবেঙ্গল। তাই এই জয় বাগান শিবিরের কাছে ছিল মর্যাদার। শেষবার মোহনবাগান আইএফএ শিল্ড জিতেছিল ২০০৩ সালে। দীর্ঘ ২২ বছরের অপেক্ষার অবসান ঘটিয়ে ফের ট্রফি উঠল সবুজ-মেরুন ব্রিগেডের হাতে।










