শনিবার ফের কমল কলকাতার তাপমাত্রা। শহরের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা নেমে ঠেকেছে ১৪.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াসে, যা স্বাভাবিকের তুলনায় ২.১ ডিগ্রি কম। চলতি মরশুমে এটাই তিলোত্তমার সবচেয়ে শীতল সকাল। প্রশ্ন উঠছে—২০২০ এবং ২০২১ সালের ডিসেম্বরের ১১.২ ডিগ্রির রেকর্ড কি এ বার ছুঁতে পারবে কলকাতা?
আবহাওয়া দফতর জানাচ্ছে, বঙ্গোপসাগরের উপরে বর্তমানে কোনও সিস্টেম নেই। ফলে বাধাহীন ভাবে দক্ষিণবঙ্গে ঢুকছে শুষ্ক উত্তুরে হাওয়া। এর জেরেই দিন ও রাত দু’সময়েই তাপমাত্রা কমছে। আগামী সাত দিন দক্ষিণবঙ্গজুড়ে শুষ্ক আবহাওয়া বজায় থাকবে; বৃষ্টির সম্ভাবনা নেই বললেই চলে। রবিবারও শীতের আমেজ থাকবে সমগ্র রাজ্যে।
শুক্রবার শহরের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ২৬.৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস, যা স্বাভাবিকের চেয়ে প্রায় ১.৪ ডিগ্রি কম। শনিবার বাতাসে জলীয়বাষ্পের পরিমাণ ছিল সর্বাধিক ৮৩ শতাংশ এবং সর্বনিম্ন ৪০ শতাংশ, ফলে সকাল ও সন্ধ্যায় বেশি ঠান্ডা অনুভূত হয়েছে।
দক্ষিণবঙ্গের সব জেলাতেই তাপমাত্রার পারদ নামার প্রবণতা স্পষ্ট। অধিকাংশ জায়গায় দিনের তাপমাত্রা স্বাভাবিকের নীচে। আবহবিদদের অনুমান, রবিবার দক্ষিণবঙ্গের কয়েকটি জেলায় তাপমাত্রা আরও সামান্য কমতে পারে। আগামী পাঁচ দিন জুড়ে জেলাগুলিতে মূলত শুষ্ক ও ঠান্ডা আবহাওয়া বজায় থাকবে।
উত্তরবঙ্গেও একই ধরণের পরিস্থিতি দেখা যাবে। ভোর ও রাতে শীতের আমেজ থাকলেও দিনে ঠান্ডা খানিকটা কমবে। তবে সকালের দিকে কুয়াশার কারণে দৃশ্যমানতা কম থাকলেও বেলা বাড়লে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হবে বলে জানাচ্ছেন আবহাওয়াবিদরা।










