ভোরের দিকে এখনও রাজ্যের বিভিন্ন জেলায় শীতের হালকা আমেজ টের পাওয়া যাচ্ছে। তবে বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গেই বাড়ছে রোদের তেজ। ফাল্গুনের শুরুতেই দিনের তাপমাত্রা ক্রমশ ঊর্ধ্বমুখী। আলিপুর আবহাওয়া দফতর জানিয়েছে, দক্ষিণবঙ্গে আগামী দু’দিন রাতের তাপমাত্রায় বড় কোনও পরিবর্তন হবে না। তার পর ধীরে ধীরে তাপমাত্রা বাড়তে শুরু করবে। উত্তরবঙ্গে আগামী সাত দিন তাপমাত্রা প্রায় একই থাকবে বলে পূর্বাভাস।
আবহাওয়া দফতর সূত্রে জানা গিয়েছে, দক্ষিণ-পশ্চিম বঙ্গোপসাগরের উপর একটি নিম্নচাপ অঞ্চল তৈরি হয়েছে। এটি ধীরে ধীরে শক্তি সঞ্চয় করে পশ্চিম ও উত্তর-পশ্চিম দিকে অগ্রসর হচ্ছে। তবে এই নিম্নচাপের সরাসরি প্রভাব এ রাজ্যের আবহাওয়ার উপর কতটা পড়বে, তা এখনও স্পষ্ট নয়।
দক্ষিণবঙ্গের কয়েকটি জেলায় রাতের তাপমাত্রা স্বাভাবিকের তুলনায় ১ থেকে ২ ডিগ্রি সেলসিয়াস কম রয়েছে। আগামী দু’দিন তাপমাত্রার বিশেষ হেরফের না হলেও পরবর্তী চার দিনে তা ২ থেকে ৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস পর্যন্ত বাড়তে পারে। শুক্রবার থেকে রবিবারের মধ্যে কলকাতা ও পার্শ্ববর্তী এলাকায় রাতের তাপমাত্রা ১৮ থেকে ২০ ডিগ্রি সেলসিয়াসের মধ্যে থাকতে পারে। উপকূলবর্তী জেলাগুলিতে তা ১৭ থেকে ১৯ ডিগ্রি এবং পশ্চিমাঞ্চলের জেলাগুলিতে ১৫ থেকে ১৮ ডিগ্রির মধ্যে ঘোরাফেরা করবে। পূর্ব ও পশ্চিম মেদিনীপুর-সহ কয়েকটি জেলায় সকালে হালকা কুয়াশার সম্ভাবনা রয়েছে। আপাতত রাজ্যের কোথাও বৃষ্টির পূর্বাভাস নেই।
উত্তরবঙ্গে আগামী সাত দিন তাপমাত্রায় বড় কোনও পরিবর্তনের ইঙ্গিত নেই। তবে ভোরের দিকে কয়েকটি জেলায় কুয়াশার দাপট থাকতে পারে। দৃশ্যমানতা নেমে আসতে পারে ২০০ মিটার পর্যন্ত। দার্জিলিং ও পার্বত্য এলাকায় তাপমাত্রা ৬ থেকে ৭ ডিগ্রি সেলসিয়াসের মধ্যে থাকবে। বুধবার দার্জিলিঙে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস। সমতলে সবচেয়ে কম তাপমাত্রা রেকর্ড হয়েছে কোচবিহারে, ১২ ডিগ্রি সেলসিয়াস। কলকাতায় বুধবার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ১৭.৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস।










