স্কুল সার্ভিস কমিশনের ইন্টারভিউয়ের প্রাথমিক তালিকায় নাম উঠতেই শুরু হয়েছিল বিতর্ক। এ বার নথি যাচাই করানোর পর শুধু বাংলা ও ইংরেজিতেই বাদ পড়ল ১০৬ জন চাকরিপ্রার্থীর নাম।
উচ্চ মাধ্যমিকের একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণির শিক্ষক নিয়োগের জন্য প্রকাশিত ওই তালিকা নিয়ে অভিযোগ ওঠে যে একাধিক অনিয়ম রয়েছে এবং কয়েকজন ‘দাগি’ প্রার্থীর নামও সেখানে এসেছে। কমিশন প্রথম থেকেই জানিয়েছিল যে এটি কেবল প্রাথমিক তালিকা, নথি যাচাইয়ের পরেই ইন্টারভিউয়ের জন্য চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশ করা হবে।
নথি যাচাইয়ের পর কমিশন জানায়, বাংলা এবং ইংরেজি বিষয়ে মোট ১০৬ জন প্রার্থী ইন্টারভিউ ও লেকচার ডেমো রাউন্ড থেকে বাদ পড়েছেন। প্রকাশিত তালিকায় প্রতিটি প্রার্থীর নাম, রোল নম্বর, তিনি জেনারেল নাকি সংরক্ষিত কোটায় পড়েন তার তথ্য, সঙ্গে কারেন্ট স্টেটাসও উল্লেখ রয়েছে। কারেন্ট স্টেটাসে দেখা যাচ্ছে প্রার্থী নথি যাচাইয়ে এসেছিলেন কি না, তাঁর প্রাপ্ত নম্বর এবং সংশ্লিষ্ট বিষয়ের কাট-অফ কত ছিল। ফলে তালিকা দেখলেই বাদ পড়ার সম্ভাব্য কারণ অনেকটাই স্পষ্ট হয়ে যাচ্ছে। কমিশন সূত্রের খবর, স্বচ্ছতা বজায় রাখতেই এই পদ্ধতি অনুসরণ করা হয়েছে।
উচ্চ মাধ্যমিকের শিক্ষক নিয়োগে মোট ৩৫টি বিষয় রয়েছে। শনিবার পর্যন্ত ৬টি বিষয়ের নথি যাচাইয়ের কাজ শেষ হয়েছে। এই প্রক্রিয়া চলবে ৪ ডিসেম্বর পর্যন্ত। তবে প্রশ্ন উঠছে, নথি যাচাইয়ের পরে যদি আরও প্রার্থী বাদ পড়েন, সে ক্ষেত্রে কি নতুন কোনও তালিকা প্রকাশ করবে কমিশন? এই বিষয়ে এসএসসি এখনও কোনও আনুষ্ঠানিক বিবৃতি দেয়নি।










