বিশেষ নিবিড় সংশোধনের কাজে রাজ্যে পাঁচ ডিভিশনাল পর্যবেক্ষক নিয়োগ করেছে নির্বাচন কমিশন। প্রেসিডেন্সি, বর্ধমান, মেদিনীপুর, মালদহ এবং জলপাইগুড়ি—এই পাঁচ ডিভিশনে তাঁদের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। আজ তাঁরা দিল্লি থেকে কলকাতায় পৌঁছবেন এবং দুপুর দেড়টা নাগাদ সিইও দফতরে এই পাঁচ পর্যবেক্ষকের সঙ্গে বৈঠকে বসবে রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের দফতর। বৈঠকে উপস্থিত থাকবেন মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক মনোজকুমার আগরওয়াল ও বিশেষ পর্যবেক্ষক সুব্রত গুপ্ত। কমিশন সূত্রের খবর, এই পাঁচ পর্যবেক্ষক কীভাবে কাজ করবেন, সেই রূপরেখাই নির্ধারিত হবে ওই বৈঠকে।
এর আগে রাজ্যের জন্য একজন বিশেষ পর্যবেক্ষক (সুব্রত গুপ্ত) এবং বিভিন্ন জেলায় ১২ জন পর্যবেক্ষক নিয়োগ করেছিল নির্বাচন কমিশন। নতুন পাঁচজন যোগ হওয়ায় মোট পর্যবেক্ষকের সংখ্যা দাঁড়াল ১৮।
গত শুক্রবারের বৈঠকেই কমিশন স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছিল, বাংলায় ভোটার তালিকা সংশোধনের ক্ষেত্রে কোনও ধরনের ঢিলেমি বরদাস্ত করা হবে না। সোমবার সকালে জারি করা নির্দেশিকায় বলা হয়েছে, নতুন পাঁচ পর্যবেক্ষকের প্রধান দায়িত্ব হবে—
১) কোনও যোগ্য নাগরিক যাতে তালিকা থেকে বাদ না পড়েন।
২) কোনও অযোগ্য বা অপ্রাসঙ্গিক ব্যক্তি যাতে তালিকায় ঢুকে না পড়েন।
৩) দাবি-আপত্তি নিষ্পত্তি থেকে গণনা, নোটিস যাচাই এবং চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশ—প্রতিটি ধাপে কঠোর নজরদারি বজায় রাখা।
এই পাঁচ পর্যবেক্ষককে সংবিধানের ধারা ৩২৪(৬)-এর অধীনে নিয়োগ করা হয়েছে। ভোটার তালিকা সংশোধনের গোটা সময় তাঁরা জাতীয় নির্বাচন কমিশনের প্রত্যক্ষ নিয়ন্ত্রণে থেকে কাজ করবেন।
নির্বাচনের আগে ভোটার তালিকায় যেন কোনও অনিয়ম না ঘটে, তা নিশ্চিত করতেই কমিশনের এই বাড়তি তৎপরতা বলে মনে করা হচ্ছে।










