Home / খবর / রাজ্য / বিধানসভা ভোটে কেন্দ্রীয় বাহিনীর সংখ্যা আরও বাড়ানোর আবেদন পশ্চিমবঙ্গের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের

বিধানসভা ভোটে কেন্দ্রীয় বাহিনীর সংখ্যা আরও বাড়ানোর আবেদন পশ্চিমবঙ্গের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের

আর মাত্র চার মাসের মধ্যেই পশ্চিমবঙ্গে বিধানসভা নির্বাচন। এখনও নির্বাচনী নির্ঘণ্ট ঘোষণা না হলেও ভোটের নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়ে আগাম প্রস্তুতি শুরু করে দিয়েছে জাতীয় নির্বাচন কমিশন। সোমবার নয়াদিল্লিতে এই সংক্রান্ত এক গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন পশ্চিমবঙ্গের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক (CEO) মনোজ আগরওয়াল।

সূত্রের খবর, ওই বৈঠকে আগের বিধানসভা ভোটের তুলনায় আসন্ন নির্বাচনে রাজ্যে আরও বেশি সংখ্যক কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েনের আবেদন জানিয়েছেন মনোজ আগরওয়াল। পাশাপাশি, পশ্চিমবঙ্গে ভোটের দফা কমানো হবে কি না, তা নিয়েও আলোচনা হয়েছে। দফা কমানো হলে অতিরিক্ত নিরাপত্তা বাহিনীর প্রয়োজন হবে বলেও কমিশনকে জানানো হয়েছে।

উল্লেখ্য, পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভায় মোট আসন ২৯৪টি। ২০২১ সালের নির্বাচনে আট দফায় ভোটগ্রহণ হয়েছিল এবং প্রতিটি দফায় আলাদা করে কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করা হয়। সূত্রের দাবি, ২০২৬ সালের নির্বাচনে নিরাপত্তা আরও জোরদার করতে কেন্দ্রীয় বাহিনীর সংখ্যা বৃদ্ধির বিষয়ে কমিশনের কাছে জোরালো আবেদন জানানো হয়েছে। সোমবারের বৈঠকে বাংলার পাশাপাশি ভোটমুখী তামিলনাড়ু, কেরল, অসম ও পুদুচেরীর মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকরাও উপস্থিত ছিলেন। সেখানেই বাংলায় ভোটের দফা কমানোর সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনা হয়। জানা গিয়েছে, সংবেদনশীল ও অতিসংবেদনশীল বুথের সংখ্যা নির্ধারণের পরই কেন্দ্রীয় বাহিনীর চূড়ান্ত সংখ্যা ঠিক করবে জাতীয় নির্বাচন কমিশন।

এদিকে কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন প্রসঙ্গে বিজেপি নেতা জগন্নাথ চট্টোপাধ্যায় বলেন, “বিধানসভা ভোটে কত কেন্দ্রীয় বাহিনী থাকবে, তা নির্বাচন কমিশনই ঠিক করবে। তবে আমাদের দাবি, ভোটের সময় বাংলায় পর্যাপ্ত কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করা হোক।” এর আগে রাজ্য বিজেপির প্রাক্তন সভাপতি দিলীপ ঘোষও দাবি করেছিলেন, শুধু বাইরে নয়, বুথের ভিতরেও কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করা প্রয়োজন, কারণ সেখানেই ভোট লুঠের অভিযোগ ওঠে।

অন্যদিকে, কেন্দ্রীয় বাহিনী বাড়ানোর আবেদনের প্রসঙ্গে তৃণমূল কংগ্রেসের রাজ্য সহসভাপতি জয়প্রকাশ মজুমদার বলেন, “২০২১ সালেও কেন্দ্রীয় বাহিনী ছিল। যত খুশি বাহিনী মোতায়েন করুক। বাংলার মানুষ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গেই আছেন।”

alternatetext
Tagged:

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *