রাজ্যে সোমবার থেকে শুরু হয়েছে এনিউমারেশন ফর্ম সংগ্রহ। এরপর ওই সব ফর্মের তথ্য আপলোড করতে হবে বিএলও–অ্যাপে এবং পুরো কাজ শেষ করতে হবে ৪ ডিসেম্বরের মধ্যে। হাতে মাত্র ১৮ দিন সময়।
রাজ্যের প্রায় ৮০ হাজার বুথে প্রতি বিএলও–র ৯০০ থেকে ১২০০ ফর্ম সংগ্রহের দায়িত্ব। প্রতিদিন ৯০টি ফর্ম আপলোডের টার্গেট বেধে দেওয়া হয়েছে। কিন্তু অভিজ্ঞ বিএলও–দের দাবি, একটি ফর্ম ডিজিটাইজ় করতে ১৫–২০ মিনিট লাগে। সে হিসেবে প্রতিদিনের কাজ শেষ করতে সময় লাগছে ২২ থেকে ৩০ ঘণ্টা—যা বাস্তবে সম্ভব নয়। এতে ভুল হওয়ার আশঙ্কাও বাড়ছে।
অসম্ভব টার্গেটের প্রতিবাদে রাজ্যজুড়ে বিক্ষোভ শুরু হয়েছে। পূর্ব বর্ধমানের কালনায় কাজের চাপে এক বিএলও–র মৃত্যু হয়েছে। কলকাতার বেলেঘাটায় অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে ভর্তি আরেক বিএলও। বীরভূমের লোহাগড়ে সোমবার আরও একজন অসুস্থ হয়ে পড়েন। অভিযোগ, ভোটারকে না–পেলেও অ্যাপে ফর্ম ‘ডেলিভার্ড’ দেখাতে চাপ দেওয়া হচ্ছে, যা ভুলের সম্ভাবনা বাড়াচ্ছে।
সিইও–র দপ্তর পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বিগ্ন। এখনও পর্যন্ত ৭ কোটি ৫৫ লক্ষ ভোটারের কাছে ফর্ম পৌঁছেছে, কিন্তু ডেটা আপলোডই বড় সমস্যা। কমিশন ডেটা এন্ট্রি অপারেটর চাইলেও তা মেলেনি। মঙ্গলবার একটি উচ্চপর্যায়ের টিম আসছে পরিস্থিতি খতিয়ে দেখতে।










