‘যুবসাথী’ প্রকল্পকে সামনে রেখে রাজ্য জুড়ে বিশেষ ক্যাম্প শুরু হচ্ছে ১৫ ফেব্রুয়ারি থেকে। তার আগে ছুটির দিনেই সব জেলার জেলাশাসকদের নিয়ে জরুরি প্রস্তুতি বৈঠক করলেন মুখ্যসচিব নন্দিনী চক্রবর্তী। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ঘোষিত ‘স্বনির্ভর বাংলা’ কর্মসূচির অংশ হিসেবেই এই ক্যাম্প আয়োজন করা হচ্ছে।
প্রশাসনিক সূত্রে জানা গিয়েছে, আগামী ১ এপ্রিল থেকে ‘যুবসাথী’ প্রকল্প চালু হবে। তার আগে প্রকল্পের বাস্তবায়ন, আবেদন প্রক্রিয়া এবং উপভোক্তাদের তথ্য সংগ্রহের কাজ এগিয়ে নিতেই এই উদ্যোগ। ‘যুবসাথী’র পাশাপাশি ভূমিহীন ক্ষেতমজুর, অন্যান্য কৃষক এবং লক্ষ্মীর ভাণ্ডার প্রকল্পের উপভোক্তারাও এই ক্যাম্পে আবেদন বা পরিষেবা পাবেন।
১৫ ফেব্রুয়ারি থেকে ২৬ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত রাজ্যের ২৯৪টি বিধানসভা কেন্দ্রে এই ক্যাম্প চলবে। প্রতিদিন সকাল ১০টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত পরিষেবা মিলবে। নির্দিষ্ট ছুটির দিনে ক্যাম্প বন্ধ থাকবে। বিডিও অফিস ও মিউনিসিপ্যালিটি ছাড়াও যেসব এলাকায় মানুষের উপস্থিতি বেশি, সেখানেও ক্যাম্প বসানো হবে।
‘দুয়ারে সরকার’-এর আদলে এই ক্যাম্প পরিচালিত হবে। প্রতিটি ক্যাম্পে যুব কল্যাণ, কৃষি, বিদ্যুৎ এবং নারী ও শিশু কল্যাণ—এই চার দফতরের আধিকারিকরা উপস্থিত থাকবেন। আবেদনপত্র গ্রহণের পর নির্দিষ্ট ওয়েবসাইটে তথ্য আপলোড করতে হবে এবং নথিপত্র যাচাই করে তবেই গ্রহণের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। সকল আধিকারিককে সকাল ১০টার আগেই উপস্থিত থাকতে বলা হয়েছে। প্রয়োজনে স্থানীয় থানার সহায়তা নেওয়ার কথাও জানানো হয়েছে।
আবেদনকারীদের আধার কার্ড, জাতিগত শংসাপত্র, ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টের প্রথম পাতার জেরক্স, মাধ্যমিক বা সমতুল্য পরীক্ষার অ্যাডমিট কার্ডের কপি এবং দুই কপি পাসপোর্ট সাইজ ছবি সঙ্গে আনতে হবে।
উল্লেখ্য, ১ এপ্রিল থেকে যুবসাথী, ভূমিহীন ক্ষেতমজুর ও কৃষকদের জন্য সেচের জলের নির্ধারিত জলকর সম্পূর্ণ মকুব করার ঘোষণাও ইতিমধ্যেই করা হয়েছে। প্রশাসনের দাবি, এই ক্যাম্পের মাধ্যমে একাধিক সামাজিক সুরক্ষা প্রকল্পের সুবিধা দ্রুত মানুষের দোরগোড়ায় পৌঁছে দেওয়া সম্ভব হবে।










