প্রতীকী ছবি
বালি পাচার মামলায় বড়সড় পদক্ষেপ করল এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট (ইডি)। অভিযুক্ত অরুণ শরাফ-সহ মোট ১৮ জনের বিরুদ্ধে চার্জশিট জমা দিয়েছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। পাশাপাশি অরুণ শরাফের সংস্থা ‘জিডি মাইনিং’-এর বিরুদ্ধেও চার্জশিট দাখিল করা হয়েছে। সূত্রের খবর, কলকাতার বিচারভবনে এই চার্জশিট জমা পড়েছে।
গত ৬ নভেম্বর ইডির হাতে গ্রেপ্তার হন অরুণ শরাফ। তাঁর বিরুদ্ধে একাধিক দুর্নীতির অভিযোগ তোলে ইডি। তদন্তকারী সংস্থার দাবি, অরুণ শরাফের সংস্থা নির্ধারিত নিয়ম-কানুন উপেক্ষা করেই বালি উত্তোলন ও বিক্রি করত। ওয়েস্ট বেঙ্গল স্যান্ড মাইনিং-ট্রান্সপোর্ট-স্টোরেজ সংক্রান্ত সমস্ত বিধিনিষেধ লঙ্ঘন করে দীর্ঘদিন ধরে অবৈধভাবে বিপুল অর্থ উপার্জন করা হয়েছে। এই মামলায় প্রায় ১৪৫ কোটি টাকার দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছে। অরুণ ছাড়াও তাঁর সংস্থার চার কর্মীর নামেও চার্জশিট জমা দিয়েছে ইডি। গ্রেপ্তারের ৫৭ দিনের মাথায় এই চার্জশিট দাখিল করা হল।
প্রসঙ্গত, গত ৮ সেপ্টেম্বর প্রথম বালিপাচার মামলার তদন্ত শুরু করে ইডি। সেদিন একযোগে ঝাড়গ্রাম ও বেহালায় অভিযান চালানো হয়। পরে কলকাতা, ঝাড়গ্রাম, নদিয়া ও পশ্চিম মেদিনীপুরের একাধিক জায়গায় তল্লাশি চালায় ইডি। সেই সময়েই জিডি মাইনিংয়ের অফিসেও অভিযান হয়। ঝাড়গ্রামের গোপীবল্লভপুরে শেখ জহিরুল আলির বাড়িতে তল্লাশি চালিয়ে সুবর্ণরেখা নদী থেকে বেআইনি বালি উত্তোলনের অভিযোগের হদিস মেলে। পাশাপাশি পশ্চিম মেদিনীপুরে সৌরভ রায় নামে এক ব্যবসায়ীর বাড়িতেও তল্লাশি চালানো হয়। ইডির দাবি, এঁরা সকলেই বালির অবৈধ কারবারের সঙ্গে যুক্ত। এদিন সেই সমস্ত অভিযুক্তদের বিরুদ্ধেই চার্জশিট জমা পড়ল।










