অসমের ৩৭ নম্বর জাতীয় সড়কে শনিবার অবতরণ করল ভারতীয় বায়ুসেনার সি-১৩০ জে হারকিউলিস বিমান। সেই বিমানে সওয়ার ছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। চাবুয়া বিমানঘাঁটি থেকে উড়ে তিনি পৌঁছন ডিব্রুগড়ের মোরানে, যেখানে তৈরি হয়েছে উত্তর-পূর্ব ভারতের প্রথম জরুরি অবতরণ পথ বা এমার্জেন্সি ল্যান্ডিং ফেসিলিটি।
মোরান বাইপাসের উপর ৪.২ কিলোমিটার দীর্ঘ এই অবতরণ পথেই সফলভাবে নামে হারকিউলিস। জাতীয় সড়কে অবতরণকারী দেশের প্রথম প্রধানমন্ত্রী হিসেবে ইতিহাস গড়েন মোদী। অবতরণের পর সেখান থেকেই তিনি গুয়াহাটির উদ্দেশে রওনা দেন।
#WATCH | Assam: Indian Air Force's Rafale took off from the Emergency Landing Facility (ELF) on Moran Bypass in Dibrugarh. PM Narendra Modi and others watched the take off.
— ANI (@ANI) February 14, 2026
Video: DD) pic.twitter.com/aYCApjlgJC
প্রধানমন্ত্রীর উপস্থিতিতে বায়ুসেনার বিশেষ এয়ার শো-ও আয়োজন করা হয়। তেজাস, সুখোই এবং রাফালে-সহ একাধিক আধুনিক যুদ্ধবিমান আকাশে কসরত দেখায়। গোটা আয়োজন ঘিরে নিরাপত্তা ও কৌশলগত গুরুত্বের বার্তা স্পষ্ট হয়।
প্রায় ১০০ কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত এই জরুরি অবতরণ পথ আপৎকালীন পরিস্থিতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নেবে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি এক্স হ্যান্ডেলে পোস্ট করে জানান, চ্যালেঞ্জিং পরিস্থিতিতে উদ্ধারকাজ, ত্রাণ সামগ্রী পাঠানো এবং দ্রুত সামরিক মোতায়েনের ক্ষেত্রে এই পরিকাঠামো বিশেষ সহায়ক হবে।
এই ল্যান্ডিং ফেসিলিটি এমনভাবে তৈরি করা হয়েছে, যাতে সামরিক ও অসামরিক—উভয় ধরনের বিমানই ব্যবহার করতে পারে। সর্বোচ্চ ৪০ টন ওজনের যুদ্ধবিমান এবং ৭৪ টন পর্যন্ত পরিবহণ বিমান এখানে ওঠানামা করতে পারবে। বিশেষ পরিস্থিতিতে এটি ডিব্রুগড় বিমানবন্দরের বিকল্প হিসেবেও কাজ করবে।
উল্লেখ্য, এর আগে ২০২১ সালে রাজস্থানের বারমেরে দেশের প্রথম জরুরি অবতরণ পথ চালু হয়েছিল। এবার উত্তর-পূর্ব ভারতেও যুক্ত হল সেই কৌশলগত পরিকাঠামো, যা প্রতিরক্ষা ও দুর্যোগ মোকাবিলায় নতুন দিগন্ত খুলে দেবে।










