ভোটের আবহে অশান্তি রুখতে বারবার কড়া বার্তা দিয়েছে নির্বাচন কমিশন। তবুও রাজ্যের একাধিক জেলা থেকে মাঝেমধ্যেই হিংসা, সংঘর্ষ ও উত্তেজনার খবর সামনে আসছে। প্রথম দফার ভোটের আর মাত্র দু’সপ্তাহ বাকি। এর মধ্যেই পরিস্থিতি সামাল দিতে মাঠে নেমেছে কেন্দ্রীয় বাহিনী এবং সর্বস্তরে নজরদারি আরও জোরদার করছে কমিশন।
ভোট পরিচালনায় এবার প্রযুক্তির ব্যবহারকে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। ইতিমধ্যেই প্রস্তুত করা হয়েছে আধুনিক কন্ট্রোল রুম। সেখানে ৯০টি অত্যাধুনিক টিভি স্ক্রিনের মাধ্যমে রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তের পরিস্থিতির লাইভ ফুটেজ পর্যবেক্ষণ করা হবে। এই নজরদারির দায়িত্বে থাকবেন প্রায় ২০০ জন মাইক্রো অবজার্ভার, যারা ভোট চলাকালীন প্রতিটি মুহূর্তে পরিস্থিতির উপর কড়া নজর রাখবেন।
কমিশন সূত্রে খবর, শুধু বুথের ভেতর বা বাইরে নয়, গুরুত্বপূর্ণ রাস্তা, নাকা চেকিং পয়েন্ট—সব জায়গাতেই চলবে নজরদারি। এর জন্য রাজ্যজুড়ে প্রায় ৩ হাজার ক্যামেরা ইতিমধ্যেই বসানো হয়েছে। স্থায়ী ক্যামেরার পাশাপাশি টহলদারি গাড়িতেও বিশেষ ক্যামেরা ব্যবহার করা হচ্ছে, যাতে চলমান পরিস্থিতিও নজরে রাখা যায়।
নির্বাচনের বিশেষ পর্যবেক্ষক সুব্রত গুপ্ত জানিয়েছেন, এবারের নজরদারিতে অত্যাধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার করা হচ্ছে। কন্ট্রোল রুমে আসা লাইভ ফুটেজ বিশ্লেষণের জন্য বিশেষ সফটওয়্যার ব্যবহার করা হবে, যা ভিড়ের মধ্যেও সন্দেহজনক গতিবিধি চিহ্নিত করতে সক্ষম। কোথাও অস্বাভাবিক জমায়েত হলেই তাৎক্ষণিকভাবে মাইক্রো অবজার্ভারদের সতর্কবার্তা পৌঁছে যাবে, ফলে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া সম্ভব হবে।
নির্বাচন প্রক্রিয়াকে আরও সুরক্ষিত করতে ভোটের আগের দিন থেকেই সমস্ত বুথের ক্যামেরা চালু করে দেওয়া হবে। বিশেষ করে স্পর্শকাতর বুথগুলিতে বাড়তি সতর্কতা নেওয়া হয়েছে।










