কুলটি : বিসিসিএল বা ভারত কোকিং কোল লিমিটেডের আসানসোলের কুলটি থানার দামাগড়িয়া প্রজেক্টের বড়িরা খোলামুখ কয়লাখনি বা ওসিপিতে মঙ্গলবার ধসে চাপা পড়ে মৃত্যু হয় তিনজনের। তার মধ্যে একজন মহিলা ছিল।
অভিযোগ তারা ওই ওসিপির পরিত্যক্ত এলাকায় কয়লা চুরি করতে সেখানে গিয়েছিল। সেই সময় সেখানে ধসে তারা চাপা পড়ে মারা যায়। সেই ঘটনার ২৪ ঘন্টা মধ্যে বুধবার সকালে কুলটি থানার পুলিশ এবং সিআইএসএফ আধিকারিকরা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন। তারা মঙ্গলবার সেখানে ঠিক কি ঘটেছিল তা তদন্ত করেন।
জানা গেছে, এই ঘটনায় নিহত তিনজনের দেহর ময়নাতদন্ত করা হয়নি। এদিন এলাকা পরিদর্শনের সময় সিআইএসএফের এক অনুষ্ঠানে ক্যামেরার সামনে এই ব্যাপারে কেউ মন্তব্য করতে চাননি। কেবল জানায়, দুর্ঘটনার স্থানটি অত্যন্ত বিপজ্জনক এলাকা। সেখানে প্রবেশ নিষিদ্ধ। সিআইএসএফের এক আধিকারিক বলেন, ঘটনাটি কিভাবে ঘটেছে তা খুঁজে বার করার জন্য তদন্ত চলছে।
দামাগড়িয়া প্রজেক্ট ডিরেক্টর ধর্মেন্দ্র তিওয়ারি বলেন, কয়লাখনির ওই এলাকায় কাউকে না যেতে দেওয়ার জন্য সর্বাত্মক চেষ্টা করা হয়। মঙ্গলবারের দুর্ঘটনার স্থানে কাঁটাতারের বেড়া এবং ৫০ ফুট উঁচু দেয়াল রয়েছে। তারপরেও, লোকেরা কিভাবে সেখানে যেতে পেরেছে তার জন্য তদন্ত করা হবে।
তিনি আরও বলেন, কয়লাখনি কর্তৃপক্ষ নিয়মিতভাবে অবৈধ কয়লা খননকে আটকানোর জন্য প্রচার চালায় এবং তা বন্ধ করার চেষ্টা করে।
তিনি বলেন, যখনই কোনও অবৈধ খনি ভরাটের চেষ্টা করা হয়, স্থানীয় বাসিন্দারা বাধা সৃষ্টি করেন। তার কথায়, অবৈধ খনির বিষয়ে জনগণকে সচেতন করা হচ্ছে। এর পাশাপাশি তাদেরকেও এই ধরনের দুর্ঘটনা থেকে বাঁচতে সচেতন হতে হবে।










