ইডির তদন্তে বাধা দেওয়ার অভিযোগ তুলে কলকাতা হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয়েছিল এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট। কেন্দ্রীয় সংস্থার দাবি, আইপ্যাক কর্ণধার প্রতীক জৈনের বাড়িতে তল্লাশির সময় অতিসক্রিয় হয়ে পুলিশের ভূমিকা তদন্তে বিঘ্ন ঘটায়। সেই অভিযোগে শুক্রবার শুনানি হওয়ার কথা থাকলেও শেষ পর্যন্ত তা হল না।
সল্টলেকের আইপ্যাক দফতর ও লাউডন স্ট্রিটে প্রতীক জৈনের বাড়িতে ইডির তল্লাশি অভিযান ঘিরে পাল্টাপাল্টি মামলা দায়ের হয়েছিল। একদিকে ইডির তল্লাশির বিরুদ্ধে তৃণমূল কংগ্রেস মামলা করে, অন্যদিকে তদন্তে বাধার অভিযোগে হাইকোর্টে যায় ইডি। শুক্রবার বিচারপতি শুভ্রা ঘোষের এজলাসে বেলা আড়াইটে থেকে দুই মামলার শুনানি হওয়ার কথা ছিল।
কিন্তু সকাল থেকেই আদালত চত্বরে ভিড় বাড়তে থাকে। এজলাসে প্রবল হইহট্টোগোল শুরু হয়। বহুবার অনুরোধের পরও ভিড় কমেনি। ইন্টার্ন আইনজীবীদের এজলাস ছাড়ার নির্দেশ দেওয়া হলেও তা ঘিরে আইনজীবীদের মধ্যে বচসা ও ধাক্কাধাক্কির পরিস্থিতি তৈরি হয়। শেষ পর্যন্ত বিরক্ত হয়ে বিচারপতি এজলাস ত্যাগ করেন।
এরপর লিখিত নির্দেশে জানানো হয়, শুক্রবার আইপ্যাক সংক্রান্ত কোনও মামলার শুনানি হবে না। তৃণমূল ও ইডি—দু’পক্ষের মামলাই আগামী ১৪ জানুয়ারি পর্যন্ত মুলতুবি রাখা হল। ওই দিনই মামলাগুলির পরবর্তী শুনানি হবে।










