ছত্তীসগঢ়ের সুকমা ও বিজাপুর জেলায় নিরাপত্তা বাহিনীর সঙ্গে পৃথক দুটি সংঘর্ষে অন্তত ১৪ জন মাওবাদী নিহত হয়েছে বলে জানিয়েছেন আধিকারিকরা।
সুকমা জেলায় হওয়া সংঘর্ষে নিহত হয়েছে ১২ জন মাওবাদী। কিস্তারাম থানার অন্তর্গত পালোডি ও পোতাকপল্লি এলাকা থেকে শুক্রবার গভীর রাতে জেলা রিজার্ভ গার্ড (ডিআরজি) সুকমার একটি দল অভিযান শুরু করে। কিস্টারাম এলাকার পামলুর গ্রামের কাছে দু’পক্ষের মধ্যে গুলির লড়াই শুরু হয়।
সংঘর্ষে নিরাপত্তা বাহিনী ১২ জন মাওবাদীকে নিকেশ করে। নিহতদের মধ্যে কন্টা এরিয়া কমিটির সম্পাদক মাংডুও রয়েছে। বাকি নিহত মাওবাদীদের পরিচয় এখনও নিশ্চিত করা যায়নি।
সংঘর্ষস্থল থেকে একে-৪৭ ও ইনসাস রাইফেল-সহ একাধিক স্বয়ংক্রিয় আগ্নেয়াস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছে। সুকমার পুলিশ সুপার কিরণ চাভান গোটা অভিযানটি নজরে রাখেন বলে জানানো হয়েছে। ঘটনার বিস্তারিত তথ্য এখনও আসেনি।
এর আগে একই দিনে বিজাপুর জেলায় আলাদা একটি সংঘর্ষে আরও দুই মাওবাদী নিহত হয়। ভোর প্রায় ৫টা নাগাদ জেলার দক্ষিণ অংশের জঙ্গলে এই গুলির লড়াই শুরু হয়। মাওবাদীদের উপস্থিতির খবর পেয়ে জেলা রিজার্ভ গার্ডের একটি দল সেখানে অভিযান চালায়।
সংঘর্ষস্থল থেকে দুই মাওবাদীর দেহ উদ্ধার করা হয়েছে। পুলিশ জানিয়েছে, মাঝে মাঝে গুলির লড়াই চলছিল এবং পরিস্থিতির উপর নজর রাখা হচ্ছে।
উল্লেখ্য, গত বছর ছত্তীসগঢ়ে নিরাপত্তা বাহিনীর সঙ্গে বিভিন্ন সংঘর্ষে মোট ২৮৫ জন মাওবাদী নিহত হয়। এর মধ্যে বাস্তার ডিভিশনের সাতটি জেলা—যার মধ্যে বিজাপুরও রয়েছে, সেখানে ২৫৭ জন এবং রায়পুর ডিভিশনের গারিয়াবান্দ জেলায় নিহত হয় আরও ২৭ জন মাওবাদী।










