Home / খবর / জেলায় জেলায় / বড়দিনের আগে জলপাইগুড়িতে বেকারি ও খাবারের দোকানে হানা প্রশাসনের

বড়দিনের আগে জলপাইগুড়িতে বেকারি ও খাবারের দোকানে হানা প্রশাসনের

অভিষেক সেনগুপ্ত, জলপাইগুড়ি: বড়দিনের আগে বেকারি ও খাবারের দোকানে হানা প্রশাসনের। মঙ্গলবার বিকেলে চহরের একাধিক বেকারি ও রেস্তোরাঁয় অভিযান চালাল ক্রেতা সুরক্ষা, পুরসভা, খাদ্য সুরক্ষা, লিগাল মেট্রোলজি,দমকল-সহ একাধিক দপ্তরের সমন্বয়ে গঠিত টাস্ক ফোর্স। কোথাও দেখা গেল অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে তৈরি হচ্ছে খাবার, কোথাও আবার অগ্নি নিরাপত্তার বালাই নেই। মালিকপক্ষকে সতর্ক করলেন আধিকারিকেরা। দিলেন পরামর্শও। নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে ত্রুটি সংশোধন না করলে জরিমানার হুঁশিয়ারিরও দেওয়া হল আধিকারিকদের তরফে।

সামনেই বড়দিন ও ইংরেজি নববর্ষ। শহরে ‘বড়দিনের কেকের’ বিক্রি বেশ ভালো বলে জানিয়েছেন ব্যবসায়ীদের একাংশ। এদিকে উৎসবের মুখে ভিড় বাড়ছে শহরের রেস্তোরাঁ গুলোতেও। এদিন কেক-সহ বেকারিজাত খাবারের মান খতিয়ে দেখতে এদিন অভিযানে নামলো বিশেষ টাস্ক ফোর্স। ছিল পুলিশও।

এদিন প্রথমে আশ্রম পাড়ার এক বেকারি-সহ একাধিক বেকারিতে যান আধিকারিকেরা। খাবারের গুনগতমান খতিয়ে দেখার পাশাপাশি কারখানার পরিবেশ, স্বাস্থ্যবিধি, অগ্নি নির্বাপণ ব্যবস্থাও ঘুরে দেখেন আধিকারিকেরা। এক বেকারিতে অগ্নি নির্বাপণ ব্যবস্থা ও হাইজিন নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করেন তারা। সংশ্লিষ্ট ব্যবসায়ীকে সতর্ক করার পাশাপাশি বেশ কিছু পরামর্শও দেওয়া হয় টাস্ক ফোর্সের তরফে। বেকারিতে খাবার প্যাকেটজাত করার সময় সিল ও তারিখ স্পষ্টভাবে উল্লেখ করার কথাও জানান আধিকারিকেরা। এক বেকারি ব্যবসায়ী বলেন, “আধিকারিকেরা সব কিছু খতিয়ে দেখলেন৷ কয়েকটি বিষয়ে পরামর্শও দিলেন। ত্রুটিগুলো শুধরে নেবো।” শহরের একাধিক রেস্তোরাঁতেও অভিযান চালায় টাস্ক ফোর্স। রেস্তোরাঁর রান্নাঘর, স্বাস্থ্যবিধি, খাবারের মান পরীক্ষা করা হয়।

দেবাশিস মণ্ডল, সহ-অধিকর্তা, ক্রেতা সুরক্ষা

অভিযানে আসা ক্রেতা সুরক্ষা ও উপভোক্তা বিষয়ক দপ্তরের সহ-অধিকর্তা দেবাশিস মণ্ডল বলেন, “শুধু বড়দিন বলেই নয়, এটা রুটিন পরিদর্শন চলছে। নির্দিষ্ট সময় অন্তর ফের পরিদর্শন করা হবে। ত্রুটি না শুধরোলে জরিমানা-সহ আইনি পদক্ষেপ করা হবে।”

alternatetext
Tagged:

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *