Home / খবর / জেলায় জেলায় / দীর্ঘদিন ধরেই বেহাল জলপাইগুড়ির সানুপাড়ার মূল সড়ক, সংস্কারের দাবি এলাকাবাসীর

দীর্ঘদিন ধরেই বেহাল জলপাইগুড়ির সানুপাড়ার মূল সড়ক, সংস্কারের দাবি এলাকাবাসীর

অভিষেক সেনগুপ্ত, জলপাইগুড়ি: দীর্ঘদিন ধরেই বেহাল সদর শহর সংলগ্ন সানুপাড়ার মূল সড়ক। ফি দিন যাতায়াত যন্ত্রণার শিকার কয়েক হাজার মানুষ। ক্ষোভে বাসিন্দাদের একাংশ৷ স্থানীয় জনপ্রতিনিধির সাফাই, মাস কয়েক আগে জেলা পরিষদের সভাধিপতিকে চিঠি দিয়ে সমস্যার কথা জানিয়েছেন তিনি। দ্রুত রাস্তা সংস্কারের দাবি এলাকাবাসীদের। সমস্যা সমাধানের আশ্বাস সভাধিপতির।

শহরের পুর এলাকার লাগোয়া হলেও খড়িয়া গ্রাম পঞ্চায়েতের সানুপাড়ায় যথাযথ উন্নয়ন হয়নি বলে অভিযোগ স্থানীয়দের বড় অংশেরই। এই এলাকায় নিম্নবিত্ত পরিবারের সংখ্যা বেশি। প্রতিদিন কাজের সূত্রে তাদের শহরের পাণ্ডাপাড়া, কদমতলা, হাসপাতাল পাড়া-সহ একাধিক এলাকায় যেতে হয়। এছাড়া কোরানিপাড়া, মণ্ডলঘাটে যাওয়ার রাস্তাও এটি। দীর্ঘ সময় ধরেই সানুপাড়ার মূল রাস্তাটির হাল খারাপ থাকায় চলাচলে সমস্যার মুখে পড়ছেন তারা। বাইক, সাইকেল নিয়ে চলতে গিয়ে, বেহাল রাস্তার কারণে ছোটখাট দুর্ঘটনার মুখে পড়েছেন এলাকার অনেকেই। ওই এলাকায় রাস্তার কারণে টটো চালকেরা যেতে চান না বলেও অভিযোগ। অতিরিক্ত ভাড়া গুনে বাড়ি ফেরেন এলাকার অনেকেই। স্কুল-কলেজ পড়ুয়াদেরও সমস্যার সম্নুখীন হতে হয় ফি দিন। বর্ষার সময়ে ভোগান্তি বাড়ে সবার।

কলেজ পড়ুয়া তিতলি সূত্রধর বলেন, “কলেজ ও টিউশনে যেতে সমস্যা হয়। টোটোও আসতে চায় না এদিকে।” স্থানীয় মহম্মদ মহবুল বলেন, “বয়স্ক ও গর্ভবতী মহিলাদের জন্য বর্তমানে এই রাস্তাটি চিন্তার কারণ। পঞ্চায়েত সদস্যকে আমরা জানিয়েছি। উনি জেলা পরিষদে চিঠিও করেছেন। কাজ কবে হবে জানি না।”

স্থানীয়দের একাংশের অভিযোগ, ২০২৩ সালে পঞ্চায়েত নির্বাচনের আগে তড়িঘড়ি এই রাস্তার সংস্কার করা হয়। দু’বছরেই পিচের মলাট উঠে কঙ্কালসার দশা হয়েছে রাস্তাটির। ওই নির্বাচনে কংগ্রেস প্রার্থী জয়ী হয়ে পঞ্চায়েত সদস্য হওয়ায় এই এলাকায় উন্নয়নের কাজ সেভাবে হয়নি বলে অভিযোগ বিরোধীদের।

পঞ্চায়েত সদস্য গণেশ ঘোষ বলেন, “বাসিন্দাদের দাবি মেনে ৭ মাস আগে জেলা পরিষদের সভাধিপতিকে চিঠি করেছি। কিন্তু ওদের কোনও হেলদোল নেই। দ্রুত সংস্কার না হলে আন্দোলনে নামবো।”

কৃষ্ণা রায়বর্মণ, সভাধিপতি, জলপাইগুড়ি জেলা পরিষদ

জেলা পরিষদের সভাধিপতি কৃষ্ণা রায়বর্মণ বলেন, “ওই কাজটা ধরা আছে। ফান্ড এলেই অগ্রাধিকারের ভিত্তিতে করা হবে। পাড়ায় সমাধান প্রকল্পে ছোট কাজ গুলো করা হচ্ছে।”

alternatetext
Tagged:

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *