এসআইআর (SIR) প্রক্রিয়ায় এনুমারেশন ফর্ম জমা দিয়েছেন অনেকেই। কিন্তু ফর্ম ঠিকমতো পূরণ হয়েছে কি না, এই দুশ্চিন্তা থেকেই অধিকাংশ ভোটার সচেতন থাকার চেষ্টা করছেন। আর সেই উদ্বেগকে কাজে লাগিয়েই সক্রিয় হয়েছে প্রতারক চক্র। হঠাৎ মোবাইলে আসতে পারে একটি ওটিপি, তারপরই ফোন—“ফর্মে ভুল রয়েছে, আপডেটের জন্য ওটিপি দিন”—এই ফাঁদেই মানুষকে টানতে পারে সাইবার দুষ্কৃতীরা।
এই পরিস্থিতিতে রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক (CEO) দফতর জারি করল সতর্কতা। প্রেস বিবৃতি দিয়ে স্পষ্ট জানানো হয়েছে— জাতীয় নির্বাচন কমিশন কিংবা সিইও অফিস কখনওই এসআইআর সংক্রান্ত কোনও কাজে ওটিপি পাঠায় না, এবং ফোন করে ওটিপি চায় না। এই বিবৃতি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করেছে কলকাতা পুলিশও।
কেন হঠাৎ এই সতর্কতা?
ওয়াকিবহাল মহলের মতে, সাম্প্রতিক সময়ে সাইবার প্রতারণার ঘটনা বাড়ছে। এসআইআর ফর্মকে কেন্দ্র করে মানুষের সংশয়কে সুযোগ হিসেবে নিতে চাইছে প্রতারকরা। সাধারণত ভোটাররা ভাবেন,ফর্মে ভুল হয়েছে কি না। ফলে কমিশন বা বিএলও-র নাম করে কেউ ফোন করলে তাঁরা বিভ্রান্ত হতে পারেন। আর সেই সুযোগে হাতিয়ে নেওয়া হচ্ছে ব্যক্তিগত তথ্য।
দিন কয়েক আগেই সোশ্যাল মিডিয়ায় একই বিষয়ে সতর্ক করেছিলেন আইএসএফ বিধায়ক নওশাদ সিদ্দিকী এবং তৃণমূল বিধায়ক তাপস চট্টোপাধ্যায়। বারাসতের কদম্বগাছিতেও এ রকম প্রতারণার ঘটনা ঘটেছে বলে অভিযোগ, যার জেরে স্থানীয়রা বিক্ষোভ দেখান। এরপরই সোমবার আনুষ্ঠানিক ভাবে সতর্কতা জারি করে কমিশন।
কী করবেন?
কোনও অবস্থাতেই ওটিপি শেয়ার করবেন না।
কমিশন বা সরকারি কর্মীর নামে ফোন এলে পরিচয় নিশ্চিত না হওয়া পর্যন্ত কোনও তথ্য দেবেন না।
সন্দেহজনক কল বা ওটিপি এলে সঙ্গে সঙ্গে হেল্পলাইনে 1950 নম্বরে জানান।










