অভিষেক সেনগুপ্ত: রবিবাসরীয় সন্ধ্যায় ‘গল্প নিয়ে আড্ডার আসর’ বসল শহরে। এ দিন শিল্পসমিতি পাড়ার এক ক্যাফেতে বসে নিজেদের লেখা গল্প, কবিতা নিয়ে সাহিত্য আসরের আয়োজন করলেন শহরের সাহিত্যিকেরা। প্রকাশিত হল লেখক তথা আমলা শেখর বন্দ্যোপাধ্যায়ের লেখা এক উপন্যাসের দ্বিতীয় সংস্করণেরও।
হেমন্তের সন্ধ্যায় হাল্কা শীতের পরশ শহরে। ছুটির দিনে ক্যাফেতে জমাটি আড্ডা সাহিত্যিকদের। নিজেদের লেখা পড়ে শোনালেন অন্য লেখক-লেখিকাদের। চললো আলোচনাও। বিগত কমবেশি এক দশক ধরে শহর ও লাগোয়া এলাকার লেখক, কবি, প্রাবন্ধিকদের নিয়ে এই আসরের আয়োজন করছেন লেখক মৃগাঙ্ক ভট্টাচার্য-সহ জনাকয়েক সাহিত্যপ্রেমী। করোনাকালে এই উদ্যোগে ভাঁটা পড়লেও ফের ক’বছর ধরে নতুন ভাবে শুরু হয়েছে সাহিত্যিকদের ‘গল্প নিয়ে আড্ডার আসর’।
এ দিন প্রথমে শেখর বন্দ্যোপাধ্যায়ের লেখা ‘বর্ষাদুয়ার’ উপন্যাসের দ্বিতীয় সংস্করণের আবরণ উন্মোচন করা হয়। এক সময়ে এই শহরেরই বাসিন্দা ছিলেন তিনি। বর্তমানে কলকাতায় থাকছেন রাজ্য সরকারের এই বর্ষীয়ান আমলা। তিনিও এ দিন যোগ দেন শহরের সাহিত্যিকদের আড্ডায়।
শেখর বলেন, “আমার উপন্যাস নিয়ে আলোচনা হল। এখানে এসে আমি অভিভূত। এক বর্ষায় ডুয়ার্সে ঘটে যাওয়া ঘটনা, বিভিন্ন আমল, চা বাগান, এই এলাকার জনজাতি, বন্যপ্রাণ সব নিয়েই আমার এই উপাখ্যান।” এ দিন তার উপন্যাস নিয়ে আলোচনা করেন বিপুল দাস, অনিন্দিতা গুপ্ত রায়, শুভময় সরকার-সহ অন্য সাহিত্যিকেরা। পরে, স্বরচিত-গল্প পাঠের আসরে অংশ নেন মৃগাঙ্ক ভট্টাচার্য,মণিদীপা নন্দী বিশ্বাস-সহ চার সাহিত্যিক। মৃগাঙ্ক বলেন, “শহরের সাংস্কৃতিক ধারা বজায় রাখতেই আমরা এই উদ্যোগ নিয়েছি। আজ শেখর বন্দ্যোপাধ্যায়কে পেয়ে আমরা খুব খুশি।”










