আসানসোল: দু’মাস ধরে বেতন না মেলায় ফের উত্তাল হল আসানসোলের জনস্বাস্থ্য কারিগরি দপ্তর (পিএইচই)। ঠিকাদারের অধীনে কাজ করা শতাধিক পাম্প ও ভালভ অপারেটর বৃহস্পতিবার বিক্ষোভে সামিল হন আসানসোল যান্ত্রিক বিভাগের অফিসের সামনে।
অল বেঙ্গল তৃণমূল পিএইচই কন্ট্রাক্টার্স ওয়ার্কার্স ইউনিয়নের পশ্চিম বর্ধমান জেলা শাখার ডাকে এদিন সকাল থেকেই কর্মীরা রাস্তায় নামেন। তাদের অভিযোগ, গত দু’মাস ধরে বেতন বন্ধ। আলোচনা করতে গেলে পিএইচই আধিকারিকরা বলছেন, তাঁরা ঠিকাদারের কর্মী। আবার ঠিকাদারদের দাবি, পিএইচই দফতর থেকে অর্থ না পাওয়ায় বেতন দেওয়া সম্ভব হয়নি।
সংগঠনের জেলা সহ-সভাপতি সমরেশ বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, “আমরা পিএইচইর কাজ করি, অথচ বেতনের জন্য দফতর আর ঠিকাদারের মধ্যে দৌড়াতে হয়। আমাদের দাবি, বেতন সরাসরি পিএইচই থেকেই দেওয়া হোক এবং আমাদের পিএইচইর স্থায়ী কর্মী হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া হোক।”
তিনি আরও জানান, “প্রতিদিন আট ঘণ্টার বেশি কাজ করেও কোনও অতিরিক্ত পারিশ্রমিক নেই। আমরা আট ঘণ্টা কাজের সময় নির্ধারণ, প্রভিডেন্ট ফান্ড এবং ইএসআই চালুর দাবিও জানাচ্ছি।”
অন্যদিকে, পিএইচইর এক্সিকিউটিভ ইঞ্জিনিয়ার সঞ্জীব কুমার মণ্ডল বলেন, “ইউনিয়নের পক্ষ থেকে বেতন-সহ একাধিক দাবি জানানো হয়েছে। বেতন সংক্রান্ত বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে। অন্য দাবিগুলি উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হবে।”
ঠিকাদারি ব্যবস্থার জটিলতায় বারবারই এমন আর্থিক অনিশ্চয়তার মুখে পড়ছেন পিএইচইর অস্থায়ী কর্মীরা— অভিযোগ সংগঠনের।










