ছবি: বুবাই শীল
অভিষেক সেনগুপ্ত, জলপাইগুড়ি: বিগত সময়ে রাজ্যস্তরের বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতায় ভালো ফল করেছে এই জেলার খুদে ক্রীড়াবিদেরা। এবারে প্রস্তুতির সময় কম। সরকারি নির্দেশ মেনে অঞ্চল থেকে জেলাপর্যায়ের প্রাথমিক, নিম্নবুনিয়াদি ও মাদ্রাসা সমূহের ৪১তম বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতা চলবে ১৭ নভেম্বর থেকে ৬ ডিসেম্বর পর্যন্ত। সরকারি নির্দেশ পেয়েই সব মণ্ডলের অবর বিদ্যালয় পরিদর্শকদের সঙ্গে প্রারম্ভিক বৈঠক করলেন জেলা প্রাথমিক বিদ্যালয় সংসদের সচিব তথা ডিআই (প্রাথমিক) শ্যামলচন্দ্র রায়-সহ অন্য আধিকারিকেরা।
অঞ্চল ও সার্কেল পর্যায়ের খেলার পরে বিজয়ীরা অংশ নেবে মহকুমা ও জেলাস্তরের প্রতিযোগিতায়। মোট ৩৪টি ইভেন্টে অংশ নেবে খুদে পড়ুয়ারা। সামনেই সরকারি ও সরকার পোষিত প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলিতে ফাইনাল পরীক্ষা। এ দিকে স্কুল গুলির অনেক শিক্ষকই বিএলও-র ডিউটিতে ব্যস্ত রয়েছেন। হাতে সময়ও বেশি নেই। তড়িঘড়ি প্রস্তুতি শুরু করল সংসদ কর্তৃপক্ষ।
সংসদের সচিব শ্যামলচন্দ্র রায় বলেন, “বিগত কয়েক বছর ধরেই রাজ্যস্তরে আমাদের শিশুরা সেরা পারফরম্যান্স দিয়ে নজর কেড়েছে। নতুন প্রতিভা যাতে উঠে আসে সেদিকে এবারেও আমাদের লক্ষ্য থাকছে। এবারে সময় কম। অনেক শিক্ষক বিএলও ডিউটিতে রয়েছেন। ফাইনাল পরীক্ষাও রয়েছে। যাতে সব কিছুই সুষ্ঠ ভাবে সম্পন্ন করা যায় সে দিকে আমাদের লক্ষ্য থাকছে।”

শ্যামলচন্দ্র রায়, সচিব, ডিপিএসসি, জলপাইগুড়ি
এ বারে জেলাস্তরের খেলা ময়নাগুড়িতে হতে পারে বলে ডিপিএসসি সূত্রে ইঙ্গিত মিলেছে। গত বছর জেলাস্তরের বার্ষিক খেলা আয়োজিত হয় মালবাজারে। এ দিনের বৈঠকে হাজির ছিলেন সদর পূর্ব মণ্ডলের এসআই মিঠুন দাস, সদর দক্ষিণ মণ্ডলের এস রতন বর্মণ-সহ অন্য আধিকারিকেরা। বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতা নিয়ে ফের বুধবার বৈঠক হতে পারে বলে ডিপিএসসি সূত্রের খবর।










